গভীর সমুদ্রে পর্যটন বন্ধ হওয়া উচিত, বললেন মার্কিন বিজ্ঞানী

0

গভীর সমুদ্রে পর্যটন বন্ধ হওয়া উচিত, বললেন মার্কিন বিজ্ঞানী

ড. মাইকেল গুলেন, যুক্তরাষ্ট্রের একজন বিজ্ঞানী, সাংবাদিক এবং লেখক। টাইটানিক জাহাজের ধ্বংসাবশেষ নিয়ে রিপোর্ট করার জন্য প্রথম টিভি সাংবাদিক ছিলেন তিনি। তিনি মনে করেন, টাইটান ডুবোজাহাজের পাঁচ যাত্রীর মৃত্যুর পর সমুদ্র পর্যটন বন্ধ করা দরকার।

গুলেন ২০০০ সালে আটলান্টিক মহাসাগরে টাইটানিক জাহাজের ধ্বংসাবশেষের কাছে একটি দুর্ঘটনা থেকে বেঁচে গিয়েছিলেন। তিনি বলেন, তিনি যে ডুবোজাহাজে ছিলেন তা জলের নিচের স্রোতে আটকা পড়েছিল। এর ফলে টাইটানিকের ধ্বংসাবশেষের পাখার (প্রপেলারের) সঙ্গে তাদের ডুবোজানের সংঘর্ষ হয়েছিল।

প্রথমত, ‘সমুদ্র বিপজ্জনক। এটি কোনো খেলার মাঠ নয়। সমুদ্র অস্থির এবং আমি যখন উত্তর আটলান্টিকের জলের দিকে তাকাচ্ছিলাম তখন আমি এটির কথা মনে করি। সমুদ্র অন্ধকার, ঠান্ডা। সে শুধু আপনাকে গ্রাস করতে চায়। আপনি যদি ক্ষুদ্রতম ভুলটি করেন তাহলে শেষ।’

দ্বিতীয়ত, ‘অনেক মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। পুরুষ, নারী এবং শিশুসহ হাজারের বেশি মানুষ। এটি তাদের শেষ বিশ্রামের স্থান। এটি পবিত্র ভূমি।’

যুক্তরাষ্ট্রের এই বিজ্ঞানী বলেন, আমি মনে করি আমাদের বিরতি দেওয়া উচিত। কী ঘটেছে তা বের করা উচিত যাতে আমরা ভবিষ্যতে এটি ঠিক করতে পারি। কিন্তু বিপদের কথাও ভাবতে হবে এবং এই স্থাপনার পবিত্রতার কথাও ভাবতে হবে। এটা কোনো আনন্দের জায়গা নয়। এটি ডিজনিল্যান্ডের গন্তব্য নয়।

গত রবিবার টাইটানিকের ধ্বংসাবশেষ দেখাতে পাঁচ আরোহীকে সাগরের তলদেশে নিয়ে গিয়েছিল টাইটান। যাত্রা শুরুর পৌনে দুই ঘণ্টা পর সেটি নিখোঁজ হয়।  চার দিন ধরে ব্যাপক তল্লাশি ও নানা আশা-আশঙ্কা শেষে বৃহস্পতিবার টাইটানিকের কাছেই পাওয়া যায় টাইটানের ধ্বংসাবশেষ। সাগরের গভীরে পানির প্রবল চাপে সাবমেরিনটি বিস্ফোরিত হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টদের ধারণা। সূত্র: সিএনএন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here