হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরলেন অমিতাভ, কী হয়েছিল অভিনেতার

0
হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরলেন অমিতাভ, কী হয়েছিল অভিনেতার

ভারতের মুম্বাইয়ের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে কিংবদন্তি অভিনেতা অমিতাভ বচ্চন ছাড়া পেয়েছেন। হাসপাতাল সূত্রের বরাতে জানা গেছে, ৮৩ বছর বয়সী এই অভিনেতা রুটিন চেকআপের জন্য হাসপাতালে গিয়েছিলেন এবং পরীক্ষা-নিরীক্ষা সম্পন্ন হওয়ার পর তিনি সুস্থ অবস্থায় নিজের বাসভবনে ফিরে এসেছেন।

কয়েক দিন আগেই অমিতাভ বচ্চন তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ছবি শেয়ার করেছিলেন, যেখানে প্রতি রবিবারের মতো তার জুহু এলাকার বাসভবন ‘জলসা’র বাইরে ভক্তদের ভালোবাসায় সিক্ত হতে দেখা যায় তাকে। প্রতি সপ্তাহান্তেই এই মেগাস্টারকে একনজর দেখার জন্য তার বাড়ির সামনে উপচে পড়ে ভক্তদের ভিড়। নিজের ব্যক্তিগত ব্লগে এই অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে তিনি লিখেছিলেন, ঘর থেকে যখন শুভাকাঙ্ক্ষীদের সঙ্গে দেখা করতে বের হই, তখন একধরনের সংশয় কাজ করে—তারা কি আসলেই সেখানে থাকবে? আমাকে কি তারা স্বাগত জানাবে? কিন্তু যখনই তাদের উল্লাস ও চিৎকার শুনি, তখন শরীরের শক্তি যেন বহুগুণ বেড়ে যায়। বয়স্ক মানুষ থেকে শুরু করে ছোট শিশু—সবার মুখে এত আনন্দ দেখে নিজের মনও ভরে ওঠে। সর্বশক্তিমানের কাছে আমি কৃতজ্ঞ।

এর আগে গত সপ্তাহে গভীর রাতে জেগে থাকার এবং পর্যাপ্ত ঘুমাতে না পারার অভিজ্ঞতাও ভক্তদের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছিলেন বিগ বি। তিনি লিখেছিলেন, কাজের চাপের কারণে রাতের পর সকাল গড়িয়ে গেলেও ঘুম আসে না। চিকিৎসাবিজ্ঞান বলে এটি মোটেও ঠিক নয়, অন্তত সাত ঘণ্টা ঘুমানো উচিত। কারণ ঘুমের সময়ই শরীর নিজেকে পুনর্গঠন ও মেরামত করে। তবে রাতের নীরবতায় যখন স্লাইড গিটার বা সেতারের শান্ত শাস্ত্রীয় সুর শুনি, তখন আত্মার গভীর এক প্রশান্তি আসে। সংগীতের এই সুরই যেন আত্মাকে সর্বশক্তিমানের সঙ্গে যুক্ত করে।

পর্দায় অমিতাভ বচ্চনকে সবশেষ ২০২৪ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত দুটি বড় চলচ্চিত্রে দেখা গেছে। এর মধ্যে একটি ছিল রজনীকান্তের সঙ্গে তামিল অ্যাকশন ড্রামা ‘ভেত্তাইয়ান’ এবং অন্যটি নাগ অশ্বিন পরিচালিত ব্লকবাস্টার ‘কাল্কি ২৮৯৮ এডি’, যেখানে অশ্বত্থামা চরিত্রে তার অভিনয় বিশ্বজুড়ে ব্যাপক প্রশংসিত হয়। বর্তমানে হায়দরাবাদে ‘কাল্কি ২৮৯৮ এডি’-এর সিক্যুয়েলের শুটিং চলছে এবং এর মাধ্যমে আবারও রুপালি পর্দায় হাজির হতে যাচ্ছেন এই অভিনয় সম্রাট।

সূত্র: এনডিটিভি

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here