মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে আরও এগিয়ে গেলেন অভিনেতা থেকে রাজনীতিবিদ বনে যাওয়া সি জোসেফ বিজয় (থালাপতি বিজয়)। তার দল তামিলাগা ভেট্টি কাজাগাম (টিভিকে) একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার পর এবার রাজ্য সরকার গঠনে তাদের সমর্থন দিয়েছে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস।
কংগ্রেসের এই সিদ্ধান্ত নিশ্চিত করেছেন দলের সাংসদ সসিকান্ত সেথিল। তিনি বলেন, দলের পলিটিক্যাল অ্যাফেয়ার্স কমিটি তামিলনাড়ু কংগ্রেস কমিটিকে (টিএনসিসি) টিভিকে-কে সমর্থন করার অনুমোদন দিয়েছে।
এতে সরকার গঠনের জন্য ১১৮টি আসনের আরও কাছাকাছি পৌঁছে গেল বিজয়ের দল টিভিকে। এ রাজ্যে পুরোনো ডিএমকে এবং এআইএডিএমকে দল দুটিকে পরাজিত করে বিজয়ের দল ১০৮টি আসনে জয়লাভ করেছে। এর সাথে জাতীয় কংগ্রেসের সাথে জোট করে আরও যুক্ত হচ্ছে পাঁচটি আসন। এছাড়া ভারতীয় কমিউনিস্ট পার্টি, কমিউনিস্ট পার্টি অব ইন্ডিয়া (মার্কসবাদী) এবং বিদুথালাই চিরুথাইগাল কাচ্চি-এর সমর্থনও পাওয়ার আশা করছে বিজয়ের দল টিভিকে।
সূত্র জানায়, কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী শুরু থেকেই টিভিকে-কে সমর্থনের পক্ষে ছিলেন। তবে দলের সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে চেয়েছিলেন, এই সিদ্ধান্ত তামিলনাড়ুর রাজ্য নেতৃত্বই নিক। পরে এক ভার্চুয়াল বৈঠকে রাজ্য ইউনিটকে সমর্থনের অনুমতি দেওয়া হয়।
জানা গেছে, টিভিকে সরকারে কংগ্রেস দুটি মন্ত্রিত্ব প্রত্যাশা করছে। একই সঙ্গে তারা শর্ত দিয়েছে, টিভিকে যেন ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স বা তার সহযোগী দলগুলোর সঙ্গে—বিশেষ করে অল ইন্ডিয়া আন্না দ্রাবিড় মুনেত্র কাঝগম—এর সঙ্গে কোনও জোট না করে।
শিগগিরই তামিলনাড়ুর রাজ্যপালের কাছে আনুষ্ঠানিক সমর্থনপত্র জমা দেওয়া হতে পারে। এর ফলে খুব শিগগিরই বিজয় মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে পারেন বলে জানা গেছে।
এই পদক্ষেপে ভেঙে গেল দীর্ঘদিনের কংগ্রেস-ডিএমকে জোট। দ্রাবিড় মুন্নেত্র কাঝগম-এর মুখপাত্র এ সারাভানন কংগ্রেসের এই সিদ্ধান্তকে ‘বিশ্বাসঘাতকতা’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। তিনি দাবি করেন, ডিএমকের সমর্থন ছাড়া কংগ্রেস তাদের আসনগুলো জিততে পারত না।
সূত্র : এনডিটিভি।

