মিরপুরে লর্ডসের আদলে হচ্ছে ব্যালকনি, থাকছে বিশেষ লাউঞ্জ

0
মিরপুরে লর্ডসের আদলে হচ্ছে ব্যালকনি, থাকছে বিশেষ লাউঞ্জ

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই বিভিন্ন উদ্যোগে নজর কাড়ছেন অ্যাড-হক কমিটির সভাপতি তামিম ইকবাল। এবার জাতীয় দলের সাবেক ক্রিকেটারদের জন্য বিশেষ সুবিধা চালুর ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) মিরপুরের শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে নির্মাণ করতে যাচ্ছে একটি ব্যালকনি ও বিশেষ লাউঞ্জ। বাংলাদেশ জাতীয় দলে খেলা ক্রিকেটাররা এখানে বসে খেলা উপভোগ করতে পারবেন।

জানা গেছে, ইংল্যান্ডের ঐতিহ্যবাহী লর্ডস ক্রিকেট গ্রাউন্ডের আদলে তৈরি করা হবে এই ব্যালকনি ও লাউঞ্জ। তবে লর্ডসে যেখানে সীমিত সংখ্যক ক্রিকেটার ও কর্মকর্তাদের বসার সুযোগ রয়েছে, সেখানে মিরপুরে আরও বড় পরিসরে এই সুবিধা রাখা হবে।

সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে জাতীয় ক্রিকেটারদের এই লাউঞ্জ সম্পর্কে ধারণা দিয়ে বিস্তারিত জানান তামিম ইকবাল। একইসঙ্গে ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (কোয়াব) অফিস তৈরি করার কথাও বলেন তিনি।

তামিম বলেন,‘বাংলাদেশের যে ১৭০-১৮০ জন (আন্তর্জাতিক) ক্রিকেটার খেলেছেন, তাদের জন্য একটা সুন্দর লাউঞ্জ বানিয়ে দিচ্ছি। সিটগুলোকে নিয়ে সংস্কার করে একটা সুন্দর ব্যালকনি হবে। বিশ্বের বিভিন্ন স্টেডিয়ামে বড় ব্যালকনি থাকে, ব্যালকনিতে এসে বসে সাবেক ক্রিকেটাররা চা-কফি খায়। ওইরকম থাকবে।’

তিনি আরও বলেন,‘ভেতরে লাউঞ্জ থাকবে প্রায় ২৫০ থেকে ৩০০ জনের জন্য। এটা শুধুমাত্র জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের জন্য থাকবে। এর সঙ্গে কোয়াবের একটা নিজস্ব অফিসও থাকবে। আমি যে কথাটা বলি, জাতীয় ক্রিকেটারদের ঘর এটা। আর ঘরে তো তাদের জন্য কোনো জায়গাও থাকতে হবে।’

এসময় তামিম জানান, সব জাতীয় ক্রিকেটারকে বিশেষ কার্ড করে দেওয়া হবে, যেটির মাধ্যমে লাউঞ্জ ও অন্যান্য সুবিধা ব্যবহার করা যাবে।

তিনি বলেন, ‘জাতীয় ক্রিকেটারদের আজীবনের জন্য এই জিনিসটা করছি। কাজের কয়েকটা কার্ড দিয়ে দেওয়া হবে এক্সেস, যেটা এখানে উনারা এক্সেস করতে পারবেন। উনারা ছাড়া কেউ এক্সেস করতে পারবেন না। প্লাস ওখানে যেটা আমি বলেছি যে কোয়াবের কিছু অফিসও এটার মধ্যে সেটআপ করা থাকবে।’

তামিম আরও বলেন,‘অধিনায়কদের জন্য আমরা ক্যাপ্টেনস কার্ড করেছি, জাতীয় ক্রিকেটারদের জন্যও এই জিনিসটা দিয়ে শুরু করলাম। অনেকেই দেখেছি যে (ক্যাপ্টেনস কার্ড নিয়ে) নাখোশ ছিলেন। তবে আমাকে তো একটু সময় দিতে হবে জিনিসগুলো করার জন্য।’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here