কানাডার এডমন্টনের আলবার্টা বিশ্ববিদ্যালয়ের এডুকেশন ভবন হলে প্রবাসী বাংলাদেশি ও কৃষিবিদদের উদ্যোগে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে অবদানের জন্য স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্ত গবেষক ড. জহুরুল করিম-কে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন কৃষিবিদ শামীম রিজওয়ান। পরে ড. করিমের অবদান নিয়ে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন কৃষিবিদ হোসনে আরা বেগম। কোরআন তেলাওয়াত করেন তাঁর সহপাঠী ড. আবু তাহের। বাংলাদেশ-কানাডা অ্যাসোসিয়েশন অব এডমন্টন-এর সভাপতি মো. মাইনুল হোসেন খানের সভাপতিত্বে আলোচনা পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন ড. করিমের সাবেক ছাত্র ড. শাহেদুর রহমান শাহীন, যিনি বর্তমানে ব্রিটিশ কলম্বিয়ায় একটি কৃষিভিত্তিক প্রতিষ্ঠানের পরিচালক। তিনি তাঁর সাফল্যের পেছনে শিক্ষকের অবদান তুলে ধরেন এবং ব্যক্তিগত উদ্যোগে ক্রেস্ট প্রদান করেন।
এছাড়া ম্যাকইওয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. শহীদুল ইসলাম বলেন, শিক্ষক হিসেবে ড. করিমের শিক্ষা, শৃঙ্খলা ও সততা তাঁর জীবনে গভীর প্রভাব ফেলেছে। তিনি গবেষণার মাধ্যমে বাংলাদেশের কৃষিতে অগ্রগতির কথাও উল্লেখ করেন।
আলবার্টা বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি, খাদ্য ও বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. হাবিবুর রহমান বলেন, ড. করিমের গবেষণা আজও নতুন প্রজন্মকে পথ দেখাচ্ছে। রিজিওনাল মিউনিসিপালিটি অব উড বাফেলোর কর্মকর্তা ইমরান আহমেদ পুনমও তার অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।
সংবর্ধিত অতিথি ড. জহুরুল করিম তার বক্তব্যে বলেন, নিষ্ঠা ও সততার সঙ্গে কাজ করার ফলে তিনি দীর্ঘদিন গবেষণায় অবদান রাখতে পেরেছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, অচিরেই বাংলাদেশে কানাডার মতো ক্যানোলা চাষ শুরু হবে এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় কৃষিতে আরও উন্নয়ন সম্ভব হবে। তিনি প্রবাসী কৃষিবিদদের দেশের উন্নয়নে অবদান রাখার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে কৃষিবিদ খালেদ বারি নোবেল, জামিল আজাদ পলাশসহ আরও অনেকে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন। বিভিন্ন সংগঠন ও ব্যক্তির পক্ষ থেকে ড. করিমকে ক্রেস্ট, অভিনন্দনপত্র ও পুষ্পস্তবক প্রদান করা হয়। শারীরিক অসুস্থতা সত্ত্বেও ড. জহুরুল করিম সপরিবারে অনুষ্ঠানে অংশ নেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন কৃষিবিদ ড. রওশন বেগম শিল্পী ও তৌহিদ পারভেজ।

