জাতীয় পিঠা উৎসব উদযাপন পরিষদ, শিল্পকলা একাডেমি ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের যৌথ আয়োজনে আজ শুক্রবার শিল্পকলা একাডেমিতে শুরু হচ্ছে ঊনবিংশতম জাতীয় পিঠা উৎসব ১৪৩২ ও বর্ষবরণ ১৪৩৩ উপলক্ষ্যে দশদিনব্যাপী বৈশাখী মেলা। আবহমান বাংলার লোক সংস্কৃতির অন্যতম অনুষঙ্গ বাহারি নকশার বৈচিত্রময় পিঠার পাশাপাশি উৎসবে থাকবে চারু ও কারুপণ্যের বিভিন্ন স্টল। এসব স্টলে সু-স্বাদু মনকাড়া নকশার পিঠার পসরা সাজিয়ে বসবে দোকানীরা। প্রায় অর্ধ শতাধিক স্টল থাকবে এবারের উৎসবে।
উৎসবের নিয়মিত আয়োজনের অংশ হিসেবে বরাবরের মতো এবারও প্রতিদিন বিকাল থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত একাডেমির উন্মুক্ত মঞ্চে থাকছে লোকনৃত্য, সঙ্গীত, আবৃত্তি ও নাটকসহ মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। বিকাল ৩টায় একাডেমির উন্মুক্ত মঞ্চে বর্ণাঢ্য এই আয়োজনের উদ্বোধন করবেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম।
বৃহস্পতিবার শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালার সেমিনার কক্ষে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান জাতীয় পিঠা উৎসব উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক খন্দকার শাহ আলম।
সংবাদ সম্মেলনে আরও বক্তব্য রাখেন শিল্পকলা একাডেমির উপ-পরিচালক (প্রশাসন) পূর্ণলাক্ষ চাকমা, মঞ্চ ব্যবস্থাপক ফজলে রাব্বী সুকর্ণ, শিল্পকলা একাডেমির কর্মচারি ইউনিয়নের সভাপতি এস এম সালাহ উদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক সাঈদ আহমেদ।
লিখিত বক্তব্যে খন্দকার শাহ আলম বলেন, জাতীয় পিঠা উৎসব উদযাপন পরিষদ কফি হাউসের সার্বিক তত্ত্বাবধানে অত্যন্ত সফলতার সাথে ধারাবাহিকভাবে ১০ বছর জাতীয় পিঠা উৎসব আয়োজন করেছে। দশম জাতীয় পিঠা উৎসবে প্রথমবারের মত সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় কিছু অনুদান প্রদান করে এই উৎসব আয়োজনে পৃষ্ঠপোষকতা প্রদান শুরু করে। কর্তৃপক্ষের আগ্রহের কারণে জাতীয় পিঠা উৎসব উদযাপন পরিষদ ২০১৮ সালে প্রথমবারের মত বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সাথে যৌথভাবে একাদশ জাতীয় পিঠা উৎসব আয়োজন করে।
প্রতিদিন বিকাল ৩টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গণে চলবে উৎসবের কার্যক্রম। ৩ মে শেষ হবে ১০ দিনব্যাপী এই উৎসব।

