ভিনিসিয়ুস জুনিয়র বর্তমানে রিয়াল মাদ্রিদের অন্যতম প্রধান তারকা। ক্লাবটির সাম্প্রতিক সাফল্যে তার অবদান অসাধারণ। লা লিগা, উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগসহ একাধিক বড় শিরোপা জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন এই ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড। তবে এখনই তাকে লিওনেল মেসি, নেইমার কিংবা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর মতো কিংবদন্তিদের কাতারে ফেলা ঠিক হবে না বলে মনে করেন ব্রাজিলের সাবেক ডিফেন্ডার হোয়াও মিরান্ডা।
ইউরোপীয় ফুটবলে একসময় আধিপত্য বিস্তার করা মেসি-রোনালদো-নেইমার যুগ এখন অনেকটাই শেষ। এই তিন তারকা বর্তমানে ভিন্ন ভিন্ন দেশে খেলছেন। তাঁদের অনুপস্থিতিতে ইউরোপের মঞ্চে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন ভিনিসিয়ুস। রিয়াল মাদ্রিদের জার্সিতে তিনি তিনবার করে লা লিগা ও স্প্যানিশ সুপার কাপ এবং দুইবার চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতেছেন। বিশেষ করে ২০২৩-২৪ মৌসুমে চ্যাম্পিয়নস লিগ, লা লিগা ও স্প্যানিশ সুপার কাপ জিতে দলকে ঐতিহাসিক তিন শিরোপার স্বাদ এনে দেন।
তবুও মিরান্ডার মতে, কিংবদন্তি হতে গেলে ভিনিসিয়ুসকে আরও অনেক পথ পাড়ি দিতে হবে। মারিও সুয়ারেজের ইউটিউব চ্যানেলে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ভিনির গুণাবলি অনেক, কিন্তু তিনি এখনো মেসি, নেইমার বা রোনালদোর স্তরে পৌঁছাতে পারেননি।
মিরান্ডা মনে করেন, আধুনিক ফুটবলে প্রয়োজনীয় গতি, শক্তি ও ফিটনেস—সবই আছে ভিনিসিয়ুসের মধ্যে। কিন্তু মেসি বা নেইমারের মতো সহজাত প্রতিভা ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে যে গভীর সংযোগ তৈরি হয়, সেখানে ভিনি কিছুটা পিছিয়ে। তাঁর ভাষায়, ভিনির মধ্যে যেন এমন কিছু একটা ঘাটতি আছে, যা তাকে সেই উচ্চতায় পৌঁছাতে বাধা দিচ্ছে।
বর্ণবাদ ইস্যুতেও প্রায়ই আলোচনায় থাকেন ভিনিসিয়ুস। মাঠে প্রতিপক্ষ খেলোয়াড় থেকে শুরু করে দর্শকদের সঙ্গে তর্কে জড়ানোর ঘটনাও দেখা গেছে একাধিকবার। তবে স্পেনে দীর্ঘ সময় খেলার অভিজ্ঞতা থেকে মিরান্ডা বলেন, তিনি নিজে কখনো বর্ণবাদের শিকার হননি। তাঁর মতে, অনেক সময় এমন মন্তব্য কেবল খেলোয়াড়ের মনোযোগ নষ্ট করার কৌশল হিসেবেই ব্যবহার করা হয়।

