নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে জয়ের খুব কাছে গিয়েও শেষ পর্যন্ত নাটকীয়ভাবে হারতে হলো বাংলাদেশকে। ম্যাচ শেষে অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ বলেন, মাঝে মাঝে এমনটা হতেই পারে, তবে দলের অনেক ইতিবাচক দিকও রয়েছে।
২৪৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা দারুণ ছিল বাংলাদেশের। ২৫তম ওভারেই দল টার্গেটের অর্ধেক পথ পেরিয়ে যায়। তখন মনে হচ্ছিল, একটু ধৈর্য ধরে খেললেই সহজ জয় সম্ভব। কিন্তু হঠাৎ করেই ছন্দ হারিয়ে ফেলে ব্যাটাররা। একের পর এক ডটবল চাপ বাড়াতে থাকে, রান রেট ধীরে ধীরে ৫ থেকে ৬, এরপর ৭-এ পৌঁছে যায়।
এই চাপের মধ্যেই নিয়মিত উইকেট হারাতে থাকে বাংলাদেশ। একপ্রান্তে দাঁড়িয়ে লড়াই করে যাচ্ছিলেন তাওহীদ হৃদয়। তবে অপর প্রান্ত থেকে প্রত্যাশিত সমর্থন পাননি তিনি। ফলে তার ওপর চাপ বাড়তে থাকে। শেষ পর্যন্ত নিউজিল্যান্ডের গোছানো বোলিংয়ের সামনে ভেঙে পড়ে পুরো ব্যাটিং লাইনআপ। তিন ম্যাচের সিরিজ শুরু হয় ২৬ রানের হার দিয়ে।
ম্যাচ শেষে মিরাজ বলেন, হ্যাঁ মাঝে মাঝে এমনটা হয়। সবাই জিততে চেয়েছিল, কিন্তু এমন পরিস্থিতি ক্রিকেটে আসতেই পারে।
বোলিং নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে তিনি বলেন, এই উইকেটে ২৭০ রান তাড়া করা কঠিন ছিল না। আমাদের বোলাররা দারুণ করেছে। দুইটা ক্যাচ নিতে পারলে প্রতিপক্ষকে ২০০ রানের নিচে রাখা যেত।
শেষ মুহূর্তে দলে সুযোগ পাওয়া শরিফুল ইসলামের প্রসঙ্গেও কথা বলেন মিরাজ। তিনি বলেন, মুস্তাফিজুর ইনজুরিতে পড়ায় শরিফুল হঠাৎ সুযোগ পায়। প্রস্তুতি ছাড়াই নেমে সে ভালো বোলিং করেছে, যা দলের জন্য ইতিবাচক।
ব্যাটিং ব্যর্থতা নিয়েও খোলামেলা কথা বলেন তিনি। মিরাজের ভাষায়, পরপর উইকেট পড়লে প্রতিপক্ষ সুবিধা পায়। লিটন, তাওহীদ, আফিফ ভালো খেললেও বড় পার্টনারশিপ হয়নি। সেটাই শেষ পর্যন্ত পার্থক্য গড়ে দেয়।
তিনি আরও বলেন, রান তাড়া করতে গেলে বড় জুটি খুব জরুরি। আমরা সেটা করতে পারিনি বলেই ম্যাচটা হাতছাড়া হয়েছে।

