ঘরের মাঠে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে শিরোপা জয়ে ভূমিকা রেখেছিলেন ভারতের ওপেনার অভিষেক শর্মা এবং অক্ষর প্যাটেল। ফাইনালে অভিষেকের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে দারুণ সূচনা করেছিল স্বাগতিকরা।
অন্যদিকে পুরো টুর্নামেন্টে বল হাতে নৈপ্যুনের পাশাপাশি অসাধারণ ফিল্ডিং করেছেন অক্ষর প্যাটেল। বিশ্বকাপ শেষে অভিষেক সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদ এবং অক্ষর দিল্লি ক্যাপিটালসের প্রতিনিধিত্ব করছেন।
এমন পরিস্থিতিতে দেশটির ন্যাশনাল অ্যান্টি ডোপিং এজেন্সি (নাডা) বা জাতীয় ডোপিং বিরোধী সংস্থা তাদের ডোপিং পরীক্ষার তালিকা যুক্ত করেছে। স্মৃতি মান্ধানা এবং শ্রেয়াস আইয়ারের পরিবর্তে এই দুই ক্রিকেটারকে তাদের অবস্থান জানাতে হবে এবং ডোপ পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহের সময় তাদের উপস্থিতি থাকতে হবে।
অভিষেক শর্মা এবং অক্ষর প্যাটেল হলেন নাডা-রেজিস্টার্ড টেস্টিং পুলে সর্বশেষ যুক্ত হওয়া খেলোয়াড়। এই দীর্ঘ তালিকায় বেশ কয়েকজন বিশিষ্ট ভারতীয় ক্রিকেটারসহ ৩৪৮ জন ক্রীড়াবিদ রয়েছেন। অভিষেক শর্মা এবং অক্ষর প্যাটেল ছাড়াও দেশটির টেস্ট ও ওয়ানডে অধিনায়ক শুভমান গিল এই তালিকার অন্যতম হাই-প্রোফাইল নাম।
উল্লেখ্য, ন্যাশনাল অ্যান্টি-ডোপিং এজেন্সি (নাডা) বিভিন্ন ক্রীড়া শাখার অ্যাথলিটদের ওপর নজর রাখে। এর প্রধান কাজ হলো খেলোয়াড়রা মাঠে তাদের পারফরম্যান্স উন্নত করার জন্য কোনো নিষিদ্ধ ড্রাগ গ্রহণ করছে কিনা তা পরীক্ষা করা।অ্যান্টি-ডোপিং টেস্টিং পুল হলো সেইসব অ্যাথলিটদের একটি তালিকা, যাদেরকে নাডার কাছে তাদের অবস্থান জানাতে এবং প্রতিদিন একটি পূর্ব-নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পরীক্ষার জন্য উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে।
রেজিস্টার্ড টেস্টিং পুল এর কোনো অ্যাথলিট যদি এই শর্তগুলো পূরণ করতে ব্যর্থ হন, তবে নাডা তাকে ডোপিং লঙ্ঘনের জন্য দোষী সাব্যস্ত করে এবং সেই অনুযায়ী তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করে। এভাবে অ্যান্টি-ডোপিং টেস্টিং পুল নাডাকে শুধুমাত্র ক্রীড়াসুলভ মনোভাবের মূল ভিত্তি রক্ষা করতেই সাহায্য করে না, বরং অপরাধের তীব্রতা অনুযায়ী লঙ্ঘনকারীদের শাস্তি দিতেও সহায়তা করে।

