শিক্ষার মাধ্যম আনন্দময় হলে শিশুদের মধ্যে স্বতঃস্ফূর্ততা তৈরি হয় এবং তারা নিজেদের বিকাশের পথ নিজেরাই খুঁজে নেয়—এমন মন্তব্য করেছেন আলোকিত বজ্রপুরের প্রতিষ্ঠাতা ও শিক্ষানুরাগী মাসুদ রানা চৌধুরী।
তিনি বলেন, জোরপূর্বক চাপিয়ে দেওয়া শিক্ষা স্বল্পমেয়াদে কার্যকর হলেও দীর্ঘমেয়াদে তা টেকসই হয় না। জীবনমুখী শিক্ষার লক্ষ্য নিয়ে পরিচালিত একটি বিদ্যালয়ের কার্যক্রম ইতোমধ্যেই ইতিবাচক ফল দিতে শুরু করেছে।
তিনি আরও বলেন, ৪ থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুদের সাহসিকতা ও স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ বিশেষভাবে লক্ষণীয়। তারা গান, কবিতা, ছড়া, নৃত্য এবং ‘যেমন খুশি তেমন সাজো’সহ বিভিন্ন আয়োজনে প্রাণবন্ত উপস্থিতি প্রদর্শন করেছে, যা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়।
মাসুদ রানা চৌধুরী উল্লেখ করেন, এ সফল আয়োজন স্কুল কর্তৃপক্ষ, অভিভাবক এবং শিক্ষার্থীদের সমন্বিত প্রচেষ্টার ফল। জীবনমুখী ও সৃজনশীল শিক্ষার এই উদ্যোগ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আশাব্যঞ্জক বলে তিনি অভিমত ব্যক্ত করেন।
গত ১২ এপ্রিল নগরীর ২য় মুরাদপুর এলাকায় আয়োজিত বিদ্যালয়ের প্রথম বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লেখক আহসানুল কবীর, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের সহযোগী অধ্যাপক ডা. হাফসা হাসিব, ল্যাবরেটরি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রোখসানা ফেরদৌস মজুমদার এবং অধ্যাপক ডা. নুরুল আলম খান।
উল্লেখ্য, হুইলচেয়ার সার্ভাইভার ও সাবেক ক্রিকেটার রফিকুল ইসলাম সোহেলের তত্ত্বাবধানে ২০২৫ সালে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়।

