শারজায় পর্দা উঠলো স্বাধীনতা গোল্ডকাপের

0
শারজায় পর্দা উঠলো স্বাধীনতা গোল্ডকাপের

সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজায় উৎসবমুখর পরিবেশে পর্দা উঠেছে প্রবাসীদের বহুল প্রতীক্ষিত ‘স্বাধীনতা গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের। বৃহস্পতিবার রাতে শারজাহ গ্রাউন্ড স্পোর্টস মাঠে জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই মেগা টুর্নামেন্টের শুভ উদ্বোধন করা হয়। 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আব্দুল মান্নান এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন সংগঠনের সভাপতি ও আয়োজক কমিটির প্রধান উপদেষ্টা শাহাদাত হোসেন। 

টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে মুখোমুখি হয় দুই শক্তিশালী দল ‘চিটাগং এফসি’ এবং ‘বিএফসি সিটি’। লটারির মাধ্যমে নির্ধারিত এই দুই দলের লড়াই দেখতে শত শত প্রবাসী ফুটবল প্রেমী মাঠে ভিড় করেন। রাত ১২টায় রেফারির বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গেই শুরু হয় হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। 

দুই দলের আক্রমণ আর পাল্টা আক্রমণে টানটান উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে পুরো গ্যালারিতে। মধ্যরাতেও প্রবাসীদের স্বতঃস্ফূর্ত করতালিতে মুখর হয়ে ওঠে খেলার মাঠ।

অনুষ্ঠানে জাহিদ হাসানের প্রাণবন্ত সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মোহাম্মদ এনাম উদ্দীন সিআইপি, হাবিবুর রহমান, শহিদুল আলম, মো. মহসিন, এম এ ছালাম, আবছার উদ্দিন, মো. শহিদুল আলম, সাইফুল ইসলাম, ইয়াসির আরাফাত, আকতার হোসেন, মো. রফিক এবং মুবিনুল ইসলামসহ ‘ইউজড স্পেয়ার পার্টস অ্যাসোসিয়েশন’-এর নেতৃবৃন্দ ও বাংলাদেশি কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ গ্যালারিতে উপস্থিত থেকে খেলোয়াড়দের উৎসাহিত করেন।

শারজাহর জনপ্রিয় সংগঠন ‘ইউজড স্পেয়ার পার্টস অ্যাসোসিয়েশন’ আয়োজিত এই টুর্নামেন্টের বিজয়ী দলের জন্য রাখা হয়েছে বিশ্বের অন্যতম বিলাসবহুল ব্র্যান্ড ‘মার্সিডিজ বেঞ্জ’ গাড়ি। এছাড়া রানার-আপ দলের জন্য থাকছে ৫ হাজার দিরহাম নগদ অর্থ। প্রবাসে কোনো ফুটবল টুর্নামেন্টে এমন রাজকীয় পুরস্কার আগে কখনো দেখা যায়নি, যা খেলোয়াড় ও দর্শকদের মাঝে বাড়তি রোমাঞ্চ যোগ করেছে।

আয়োজকরা জানান, বিদেশের মাটিতে হাড়ভাঙা খাটুনির মাঝে প্রবাসীদের বিনোদনের খোরাক জোগাতে এবং নিজেদের মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ ও ঐক্য বাড়াতে এই টুর্নামেন্ট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। স্বাধীনতার মাসকে স্মরণীয় করে রাখতে এবং প্রবাসে বাংলাদেশি ফুটবলের মানোন্নয়নে এই ধারাবাহিক আয়োজন আগামীতেও অব্যাহত থাকবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

মাঠের এই লড়াই শেষে শেষ পর্যন্ত কোন দল বিলাসবহুল মার্সিডিজ বেঞ্জ গাড়িটি নিজেদের ঘরে নিয়ে যাবে। এখন সেই প্রতীক্ষায় দিন গুনছেন আরব আমিরাত প্রবাসী বাংলাদেশিরা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here