ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারসহ দেশের কারাগারগুলোতে পবিত্র ঈদুল ফিতরের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসব জামাতে সব বন্দি ও স্টাফরা অংশগ্রহণ করেছেন। পরে ঈদ উপলক্ষে বিশেষ খাবার পরিবেশন করা হয়। এরপর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের কার্যক্রম শুরু হয়।
শনিবার (২১ মার্চ) কেন্দ্রীয় কারাগারের জেল সুপার (কেরানীগঞ্জ) ফারুক আহমেদ গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, কারাগারে ঈদের দুটি জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। যেখানে সব বন্দি ও স্টাফরা অংশগ্রহণ করেছেন। সকালে নির্ধারিত সময়ে বন্দিদের ঈদ উপলক্ষে মুড়ি ও পায়েস পরিবেশন করা হয়।
এরপর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের কার্যক্রম শুরু হয়। বন্দিরা ঈদ আনন্দের অংশ হিসেবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছেন এবং পুরো নিরাপত্তার মধ্যে তাদের মতো করে আনন্দ উপভোগ করছেন। পরে তাদের ঈদের বিশেষ খাবার পরিবেশন করা হয়।
ঈদের দিন দুপুরে বন্দিদের যেসব বিশেষ খাবার পরিবেশন করা হয়েছে সেগুলো হলো পোলাও, গরুর রেজালা (বিকল্প খাসির মাংস), সেদ্ধ ডিম, মুরগির রোস্ট, মিষ্টি, সালাত, পান-সুপারি। রাতের খাবারে পরিবেশন করা হবে সাদা ভাত, রুই মাছ ও আলুর দম।
কারা অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকাসহ দেশের ৭৩ কারাগারে বন্দি রয়েছে হাজতি-কয়েদি মিলিয়ে প্রায় ৮০ হাজার।
কারাগার সূত্রে জানা যায়, ঈদের দিন এবং পরবর্তী আরো দুইদিন মোট তিন দিনের মধ্যে যেকোনো একদিন স্বজনদের রান্না করে আনা খাবার খাওয়ার সুযোগ পাবেন বন্দিরা। এ ছাড়া বন্দিরা মোবাইল ফোনে তিন মিনিট করে স্বজনদের সঙ্গে ফ্রি কথা বলতে পারবেন।

