যুদ্ধ-সংঘাতের অবসান এবং মানবতার শান্তির জন্য পরম করুণাময়ের দয়া প্রার্থনার পাশাপাশি মুসলিম বিশ্বে সম্প্রীতি অটুট রাখার সংকল্পে শুক্রবার (২০ মার্চ) যুক্তরাষ্ট্রে ঈদুল ফিতরের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ‘ঈদ মোবারক’ ধ্বনিতে কুশল বিনিময়ের মধ্য দিয়ে নতুন পোশাকে প্রবাসী প্রজন্মের মিলনমেলায় পরিণত হয় প্রতিটি ঈদ জামাত।
উল্লেখ্য, ঈদ উপলক্ষে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। এছাড়া ইরান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে আমেরিকানদের মধ্যেও এক ধরনের ভীতি ও উদ্বেগের মধ্যে ঈদ উদযাপিত হয়েছে।
নিউইয়র্কসহ সমগ্র যুক্তরাষ্ট্রে সাড়ে ৫ হাজার ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে মুসলিম আমেরিকানদের অধিকার ও মর্যাদা নিয়ে কাজ করা সংগঠন ‘কেয়ার’, ‘ইকনা’, ‘মুসলিম আমেরিকান অ্যাসোসিয়েশন’সহ বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে জানা গেছে।
নিউইয়র্কের জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টারের ঈদ জামাতে সিটি মেয়র জোহরান মামদানি-সহ কংগ্রেসম্যান, স্টেট সিনেটর ও অ্যাসেম্বলিম্যানরা অংশ নিয়ে কুশল বিনিময় করেন।
উল্লেখ্য, নিউইয়র্ক সিটির সাড়ে চারশ বছরের ইতিহাসে প্রথম মুসলিম মেয়র হিসেবে জোহরান মামদানিকে ঈদ জামাতে পেয়ে বাংলাদেশি-আমেরিকানরা আনন্দ-উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠেন। মেয়রকে স্বাগত জানান মুসলিম সেন্টারের প্রেসিডেন্ট ডা. নাজমুল হক এবং সেক্রেটারি ফখরুল ইসলাম দেলোয়ার।
নিউইয়র্ক সিটির প্রধান প্রধান ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয় ওজোন পার্ক আল-আমান মসজিদ, উডসাইডের আহলে বায়াত মিশন ও মাদানি মসজিদ, ব্রুকলিনের বাংলাদেশ মুসলিম সেন্টার ও বায়তুল জান্নাহ, অ্যাস্টোরিয়ার আল-আমিন মসজিদ, ব্রঙ্কসের পার্কচেস্টার মসজিদ, কুইন্সের স্প্রিংফিল্ড গার্ডেন জামে মসজিদ, ইস্ট এলমহার্স্টের মসজিদ আবু হুরায়রা, নিউজার্সির জালালাবাদ মসজিদ, পেনসিলভেনিয়ার আপার ডারবি মসজিদ, জর্জিয়ার মসজিদ ওমর, লং আইল্যান্ড ইসলামিক সেন্টার, বে শোরের মসজিদ দারুল কোরআন, ভার্জিনিয়ার ইসলামিক সেন্টার, ফ্লোরিডার পাম বিচ কাউন্টি কনভেনশন সেন্টার ও বোকা রাটন ইসলামিক সেন্টার এবং লস অ্যাঞ্জেলেসের লিটল বাংলাদেশ এলাকায়।

