উপসাগরীয় দেশগুলো ইরানের আইআরজিসির জ্বালানি স্থাপনায় হামলার হুমকিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছে। এরই মধ্যে কাতার, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে সতর্কতা জোরদার করা হয়েছে।
আল জাজিরার খবর অনুসারে, কাতারের রাস লাফান এলাকায় লোকজন সরিয়ে নেওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় এলএনজি উৎপাদন কেন্দ্র। চলমান সংঘাতের শুরুর দিকে, ২ মার্চ এখানে হামলা হয়েছিল। পরে কাতারএনার্জি সাময়িকভাবে উৎপাদন বন্ধের ঘোষণা দেয়।
সর্বশেষ এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে ইরানের হুমকির পর। তেহরান জানিয়েছে, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনাগুলোকে সামরিক লক্ষ্যবস্তু করা হতে পারে।
ইরান কয়েক ঘণ্টার মধ্যে হামলার হুঁশিয়ারি জানিয়ে এসব স্থাপনার আশপাশের বাসিন্দা ও কর্মীদের দ্রুত এলাকা ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে।
আইআরজিসির হুমকিতে সৌদি আরবের সামরেফ পরিশোধনাগার ও জুবাইল পেট্রোকেমিক্যাল কমপ্লেক্স, সংযুক্ত আরব আমিরাতের আল হোসন গ্যাস ক্ষেত্র এবং কাতারের মেসাইদপেট্রোকেমিক্যাল কমপ্লেক্স ও রাস লাফান রিফাইনারিকে সম্ভাব্য লক্ষ্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, এসব স্থাপনা এখন ‘বৈধ লক্ষ্যবস্তু’ এবং নিরাপত্তার স্বার্থে দ্রুত নিরাপদ দূরত্বে সরে যেতে হবে।
এদিকে সৌদি রাজধানী রিয়াদে দুটি জোরালো বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। শহরটির বাসিন্দাদের প্রথমবারের মতো সম্ভাব্য আকাশপথে হামলার হুমকির বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে।

