ইরান–যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েল সংঘাত শান্ত করার উপায় খুঁজতে জিসিসি দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের জরুরি বৈঠক ডেকেছে সৌদি আরব।
রিয়াদ শুধু জিসিসি নয়, অন্যান্য আরব ও ইসলামি দেশকেও এই বৈঠকে যুক্ত করতে চায়। লক্ষ্য হলো—সংঘাত থেকে বের হওয়ার কোনো পথ খুঁজে বের করা।
বিশ্লেষকদের মতে, এই সংকটে ভৌগোলিক ও রাজনৈতিকভাবে সবচেয়ে বেশি চাপে রয়েছে উপসাগরীয় আরব দেশগুলো। তারাই এখন সংঘাত কমানোর উদ্যোগে সবচেয়ে সক্রিয়।
তারা মনে করছে, যুদ্ধ যত দীর্ঘ হবে, বোমার শব্দ তত বাড়বে; শান্তির জন্য যেসব কণ্ঠ উঠছে, সেগুলো আরও দুর্বল হয়ে পড়বে।
কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল-আনসারি এক বিবৃতিতে বলেছেন, গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলা থেকে বিরত থাকা জরুরি। সব পক্ষকে সংযম দেখাতে হবে এবং আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলতে হবে। তিনি বলেন, আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে উত্তেজনা কমানোর পথেই এগোতে হবে। এই অবস্থানই বৈঠকের মূল আলোচ্য হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এদিকে ইরান নিজেদের জ্বালানি স্থাপনায় হামলার জবাবে কয়েকটি দেশের জ্বালানি স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করার ঘোষণা দিয়েছে। দেশগুলো হলো সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কাতার। এসব দেশের স্থাপনা ‘বৈধ লক্ষ্যবস্তু’ বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান ।
বিশ্লেষকদের মতে, এমন পরিস্থিতিতে আলোচনার সুযোগ তৈরি করতে হলে আগে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের হামলা ও ইরানের পাল্টা হামলা থামাতে হবে। না হলে সংকট থেকে বের হওয়ার পথ খুঁজে পাওয়া কঠিন হয়ে পড়বে।

