আসন্ন শেরপুর-৩ ও বগুড়া-৬ আসনের উপ-নির্বাচনের প্রার্থীদের বাছাই কার্যক্রমে রিটার্নিং কর্মকর্তার দেওয়া সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করার শেষ সময় ছিল মঙ্গলবার (১০ মার্চ)। এতে একটি আপিল আবেদনও জমা পড়েনি। ফলে মনোনয়নপত্র দাখিলের পর বাছাইয়ে টিকে যাওয়া আটজনই থাকছেন ভোটের মাঠে।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) ইসির নির্বাচন পরিচালনা শাখার কর্মকর্তারা এমন তথ্য জানান।
জানা গেছে, শেরপুর-৩ আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আবুল তালেব মো. সাইফুদ্দিন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মো. মাসুদুর রহমান, স্বতন্ত্র থেকে মো. আমিনুল ইসলাম, বিএনপির মো. মাহমুদুল হক রুবেল ও বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্কসবাদী) মো. মিজানুর রহমান মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন। সম্প্রতি বাছাই কার্যক্রম শেষ হয়েছে।
এরপর কেউ আপিল করেননি। গত ১২ ফেব্রুয়ারির ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় এই আসনের একজন বৈধ প্রার্থী মৃত্যুবরণ করায় ভোট স্থগিত করে ইসি।পরবর্তীতে নতুন তফসিল দিয়ে নির্বাচন করছে সংস্থাটি।
অন্যদিকে বগুড়া-৬ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মো. আবিদুর রহমান, বিএনপির মো. রেজাউল করিম বাদশা ও বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির মো. আল আলিম তালুকদার মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন। এখানেও রিটার্নিং কর্মকর্তা বাছাই কার্যক্রম সম্পন্ন করেছেন। কেউ আপিলও করেননি।
এই আসনে ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান নির্বাচন করে জয়ী হন। কিন্তু সংসদে একই সঙ্গে দু’টো আসনের সদস্য থাকার আইন না থাকায় ঢাকা-১৭ আসনটি ধরে রেখে বগুড়া-৬ আসনটি ছেড়ে দেন তিনি। পরে আসনটি শূন্য ঘোষণা করে নতুন করে তফসিল দেয় কমিশন।
তফসিল অনুযায়ী, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ১৪ মার্চ। প্রতীক বরাদ্দ ১৫ই মার্চ। আর ভোট গ্রহণ হবে ৯ এপ্রিল।

