তেহরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক হামলার জেরে বেশ কয়েকদিন ধরে মধ্যপ্রাচ্যেজুড়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। নিরাপত্তা শঙ্কায় ভ্রমণ সংকটে পড়েছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া কয়েকটি দল।
টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেওয়ার চার দিন পরও কলকাতায় আটকে আছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এমন পরিস্থিতিতে বাড়িতে ফেরার আকুতি জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) সংক্ষিপ্ত বার্তায় দলের প্রধান কোচ ড্যারেন স্যামি লিখেছেন, ‘আমি শুধু বাড়ি ফিরতে চাই।’
এর আগে রবিবার সুপার এইটের শেষ ম্যাচে ভারতের কাছে হেরে বিদায় নেয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এরপরই তাদের দেশে ফেরার কথা ছিল। শুরুতে আইসিসির পক্ষ থেকে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে জানান হয়েছিল, লন্ডনে ১টি চার্টার ফ্লাইটের ব্যবস্থা করে সেখান থেকে ক্যারিবীয় অঞ্চলে ফেরানোর চেষ্টা চলছে।
সপ্তাহের মাঝামাঝি সময়ে ভারত ছাড়ার সম্ভাবনার কথা বলা হলেও নির্দিষ্ট দিনক্ষণ জানানো হয়নি। তবে বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) পর্যন্ত দলটি কলকাতাতেই অবস্থান করছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংকটের কারণে নিয়মিত আকাশপথের বিভিন্ন করিডর বন্ধ থাকায় দলগুলোর ভ্রমণ পরিকল্পনা নতুন করে সাজাতে হচ্ছে। এতে বড় ধরনের লজিস্টিক চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে আইসিসি।
তবে জিম্বাবুয়ের জন্য বুধবার কিছুটা স্বস্তির খবর এসেছে। বিকল্প ভ্রমণ পরিকল্পনা চূড়ান্ত হওয়ায় দিল্লি থেকে দলটির প্রথম বহর দেশে ফিরেছে। দিল্লিতে গত রবিবার দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেয় জিম্বাবুয়ে। পরদিন দেশে ফেরার সূচি থাকলেও তা বাতিল হয়।
জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট বিবৃতিতে জানিয়েছে, ফ্লাইট-সংক্রান্ত জটিলতা ও নতুন রুট নির্ধারণের কারণে দলটি ধাপে ধাপে হারারে ফিরবে। মূল পরিকল্পনা ছিল দুবাই হয়ে এমিরেটসের ফ্লাইটে ফেরা। তবে সেটি পরিবর্তন করে এখন ইথিওপিয়ার আদ্দিস আবাবা হয়ে দেশে ফিরছে দলটি।
অন্যদিকে, বুধবার সেমি-ফাইনালে নিউজিল্যান্ডের কাছে হেরে দক্ষিণ আফ্রিকাও বিদায় নিয়েছে। তাদের ফেরার সূচি এখনও চূড়ান্ত হয়নি। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দ্বিতীয় সেমিফাইনালে ইংল্যান্ড হেরে গেলে তাদের ক্ষেত্রে একই অনিশ্চয়তা তৈরি হবে।

