ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের ধারাবাহিক হামলার লক্ষ্য ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা দ্রুত নির্মূল করা। কিছু বিশ্লেষক ধারণা করেছিলেন, টানা আঘাতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডারে শিগগিরই টান পড়তে পারে। তবে ইসরায়েল বলছে, বাস্তবতা ভিন্ন—ইরানের হাতে এখনও উল্লেখযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা রয়ে গেছে।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এফি ডেফরিন এক ব্রিফিংয়ে বলেন, ইরানের বহু ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ প্ল্যাটফর্ম ধ্বংস করা হয়েছে। তার ভাষায়, ‘আমরা এমন ডজনখানেক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণকারী ধ্বংস করেছি, যেগুলো ইসরায়েলি ফ্রন্টের জন্য বড় হুমকি ছিল।’
তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, এই আঘাত সত্ত্বেও ইরানের হাতে এখনও ‘উল্লেখযোগ্য সক্ষমতা’ রয়েছে। ইসরায়েল ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ প্ল্যাটফর্মে হামলা অব্যাহত রাখবে এবং হামলার মাত্রা কমিয়ে আনার চেষ্টা করবে বলেও জানান তিনি। একই সঙ্গে ডেফরিন স্বীকার করেন, ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ‘অভেদ্য নয়’।
অন্যদিকে তেহরান স্পষ্ট করেছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনায় তারা যাবে না। ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া বক্তব্যে দেশটির প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতার জ্যেষ্ঠ সহকারী মোহাম্মদ মোকবার বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার কোনো ইচ্ছা নেই। ইরান যোগাযোগও করেনি।

