রমজানে যেভাবে নেবেন দাঁতের যত্ন

0
রমজানে যেভাবে নেবেন দাঁতের যত্ন

পবিত্র এই মাহে রমজান মাসে আমাদের দৈনন্দিন জীবনযাত্রার পাশাপাশি আমাদের খাদ্যদ্রব্য গ্রহণের একটি ব্যাপক পরিবর্তন চলে আসে।সেই সাথে পরিবর্তন চলে আসে আমাদের স্বাস্থ্যের প্রতি যত্ন নেওয়ার নিয়মকানুনেও। 

অন্যান্য সময়ের মতোই রমজান মাসে দাঁতের যত্ন নেয়া অত্যন্ত জরুরি। যেহেতু রোজা রাখার কারণে দিনের পুরোটা সময় পানাহার থেকে বিরত থাকা হয় তাই এ রমজান মাসে অনেকেই দাঁতের পরিচর্যা নিয়ে ভাবনায় পড়েন যে কী করা যাবে আর কী করা যাবে না। রমজানে দাঁতের যত্নে কিছু বিষয় মেনে চলা জরুরি বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

ইফতার ও সাহ্‌রির পর ব্রাশ জরুরি

দুই বেলা খাবারের পর দাঁত ব্রাশ করা প্রয়োজন। রোজার সময় ইফতার ও সাহ্‌রির পর ভালোভাবে পেস্ট ও ব্রাশ দিয়ে দাঁত পরিষ্কার করতে হবে। ইফতারের পর সঙ্গে সঙ্গে সম্ভব না হলে রাতের প্রধান খাবারের পর ব্রাশ করা উচিত। একইভাবে সাহ্‌রি শেষে, ফজরের নামাজের অজুর আগে দাঁত ব্রাশ করলে মুখে জীবাণু কমে যায়।

মিসওয়াক ও অজুর গুরুত্ব

রোজায় নিয়ম মেনে মিসওয়াক করা যায়। নামাজের অজুর সময় কুলির মাধ্যমে মুখ পরিষ্কার হয়, যা দাঁতের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সহায়ক। প্রতিটি অজুর সময় মিসওয়াক ব্যবহার করা যেতে পারে।

সকালে মুখে গন্ধ হলে যা করবেন

রোজা রেখে ঘুম থেকে ওঠার পর মুখে গন্ধ হলে গড়গড়া না করে সামান্য পানি দিয়ে কুলি করা যাবে, এতে রোজা ভাঙবে না।
তবে কুলির পর মুখে জমে থাকা পানি অবশ্যই ফেলে দিতে হবে। প্রয়োজনে পেস্ট ছাড়া শুধু ব্রাশ দিয়েও দাঁত পরিষ্কার করা যেতে পারে। রোজা অবস্থায় মাউথওয়াশ ব্যবহার না করাই ভালো।

খাদ্যাভ্যাসে সচেতনতা

ইফতার থেকে সাহ্‌রি পর্যন্ত পর্যাপ্ত পানি পান করা উচিত। শরবতে ইসুবগুলের ভুসি খেলে পেট ও হজম ভালো থাকে। তেলযুক্ত খাবার কম খেয়ে শাকসবজি বেশি খাওয়া উচিত। শাকের আঁশ দাঁত পরিষ্কার রাখতে সহায়ক এবং এতে ভিটামিন ও মিনারেলও রয়েছে।

যা এড়িয়ে চলবেন

কয়লা, ছাই বা দাঁতের পাউডার ব্যবহার করা যাবে না। গুল বা তামাক সেবন থেকে বিরত থাকতে হবে। ধুমপান মুখের দুর্গন্ধ বাড়ায়, তাই তা পরিহার করা উচিত।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here