কাতার দাবি করেছে, তারা ইরানের দুটি যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করেছে। একই সময়ে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালীতে যুক্তরাষ্ট্র-সংশ্লিষ্ট একটি জ্বালানিবাহী ট্যাংকারে হামলার কথা জানিয়েছে ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড।
সোমবার (২ মার্চ) কাতারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, তারা ইরানের দুটি এসইউ-২৪ যুদ্ধবিমান, সাতটি ব্যালিস্টিক মিসাইল এবং পাঁচটি ড্রোন ধ্বংস করেছে।
কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, মিসাইলগুলো তাদের লক্ষ্যবস্তুতে পৌঁছানোর আগেই ধ্বংস করা হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়, ‘অপারেশনাল পরিকল্পনা অনুযায়ী, হুমকি শনাক্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। মিসাইলগুলো তাদের টার্গেটের কাছাকাছি আসার আগে ধ্বংস করা হয়েছে।’
দোহা থেকে আলজাজিরার সাংবাদিক জেইন বাসরাভি বলেন, কাতারের ইরানি যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার ঘটনা বেশ গুরুতর এবং এটি সংঘাত আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। তার মতে, যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার অর্থ হলো আকাশে কাতারি ও ইরানি বিমানের মধ্যে সরাসরি যুদ্ধ হয়েছে।
এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত ইরান কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতির ব্যাপারে কোনো মন্তব্য করেনি।
অন্যদিকে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী-তে যুক্তরাষ্ট্র-সংশ্লিষ্ট একটি জ্বালানিবাহী ট্যাংকারে হামলা চালানোর কথা জানিয়েছে ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড।
তারা জানায়, ‘এটিএইচই নোভা’ নামের ট্যাংকারটিতে দুটি ড্রোন দিয়ে হামলা করা হয়েছে। আঘাতের ফলে এটা এখনও জ্বলছে। ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলার প্রতিশোধ হিসেবে শুরু হওয়া পাল্টা হামলার অংশ হিসেবেই এই আক্রমণ চালানো হয়েছে বলে বাহিনীটি নিশ্চিত করেছে।
বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ জ্বালানি হরমুজ প্রণালী দিয়ে পরিবহন করা হয়। ফলে এই প্রণালীতে উত্তেজনা বৃদ্ধির ঘটনায় বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।

