অপরাজিত থেকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল খেলতে নামবে দক্ষিণ আফ্রিকা। টানা সাতটি ম্যাচ জিতলেন রবিবার (১ মার্চ) সুপার এইটের শেষ ম্যাচে জিম্বাবুয়ে ৫ উইকেটে হারিয়েছে তারা।
এদিন প্রথমে ব্যাট করতে নেমে সিকন্দর রাজারা করেন ৭ উইকেটে করেন ১৫৩ রান। জবাবে দক্ষিণ আফ্রিকা ১৭.৫ ওভারে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায়। আগামী বুধবার ইডেন গার্ডেন্সে প্রথম সেমিফাইনালে নিউজিল্যান্ড মুখোমুখি হবে প্রোটিয়ারা।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভাল হয়নি দক্ষিণ আফ্রিকার। ১৪ রানে ২ উইকেট হারান মার্করামেরা। ওপেন করতে নেমে অধিনায়ক করেন ৪ রান। আবার ব্যর্থ কুইন্টন ডি কক (০)। পরিস্থিতি সামাল দেন তিন নম্বরে নামা রায়ান রিকলটন এবং চার নম্বরে নামা ডেওয়াল্ড ব্রেভিস। রিকলটন ৪টি ছয়ের সাহায্যে ২২ বলে ৩১ রান করেন।
ব্রেভিসের ব্যাট থেকে এসেছে ১৮ বলে ৪২ রান। ২টি চার এবং ৪টি ছয় মারেন তিনি। ২টি চার এবং ২টি ছয়ের সাহায্যে ডেভিড মিলার করেন ১৬ বলে ২২। শেষ পর্যন্ত ক্রিজে থেকে দক্ষিণ আফ্রিকার জয় নিশ্চিত করেন জর্জ লিন্ডে এবং স্ট্রিস্টান স্টাবস। লিন্ডে ২১ বলে ৩০ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন। মারেন ২টি চার এবং ১টি ছয়। স্টাবসের ব্যাট থেকে এসেছে ২৪ বলে ২১ রানের অপরাজিত ইনিংস। জিম্বাবুয়ের হয়ে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট পান রাজা। একটি করে ইভান্স ও মুজারাবানি।
এর আগে টস জিতে দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন রাজা। ২৮ রানে ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় গ্রুপ পর্বে অস্ট্রেলিয়া এবং শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে চমকে দেওয়া জিম্বাবুয়ে। দুই ওপেনার তাদিওয়ানাশে মারুমানি (৭) এবং ব্রায়ান বেনেট (১৫) দ্রুত আউট হয়ে যান। রান পাননি তিন নম্বরে নামা ডিয়ন মেয়ার্সও (১১)।
চার নম্বরে নেমে দলের ইনিংসের হাল ধরেন অধিনায়ক রাজা। তিনি ২২ গজের এক দিকে লক্ষ্যে অবিচল থাকলেও অন্য দিকে ধারাবাহিক ভাবে উইকেট হারাতে থাকে জিম্বাবুয়ে। দক্ষিণ আফ্রিকার বোলিং আক্রমণের সামনে দাঁড়াতে পারেননি রায়ান বার্ল (৫), টনি মুনিয়ঙ্গাও (২)।
রাজাকে কিছুটা সঙ্গ দেন সাত নম্বরে নামা ক্লাইভ মাডান্ডে। তিনি শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন ২০ বলে ২৬ রান করে। তবে দলকে লড়াই করার মতো জায়গায় পৌঁছে দেন রাজাই। ৪৩ বলে ৭৩ রান করেন তিনি। তার ইনিংসে রয়েছে ৮টি চার এবং ৪টি ছক্কা। আর কেউ ব্যাট হাতে বলার মতো কিছু করেননি।
দক্ষিণ আফ্রিকার সফলতম বোলার কোয়েনা মাফাকা ২১ রানে ২ উইকেট নিয়েছেন। ৪০ রানে ২ উইকেট করবিন বসের। ১টি করে উইকেট নেন লিন্ডে, লুঙ্গি এনগিডি এবং অনরিখ নোখিয়ে।

