ইফতারে চাই পুষ্টিকর ও তৃষ্ণা মেটানো খাবার। এজন্য বিভিন্ন ফলের জুস হতে পারে একটি প্রধান পানীয়। নিচে বিভিন্ন ফলের জুস তৈরির পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করা হলো:
আপেল, টমেটো এবং ডালিম জুস : আপেল, টমেটো এবং ডালিমে আছে প্রচুর পরিমানে আয়রন ও পটাশিয়াম। এই পুষ্টি সমৃদ্ধ এবং আঁশযুক্ত খাবার। টমেটো হচ্ছে ভিটামিন ‘এ’ এর উৎস। সারাদিন খালিপেটে থাকার পর আমাদের শরীরে দরকার ভিটামিন। এদের সম্মনয় একটা জুস শরীরে জন্য অনেক উপকারি।
প্রস্তুতপ্রণালী : একটি আপেল, একটি টমেটো, এক কাপ পরিমাণ ডালিমের কোয়া,পরিমানমতো ঠাণ্ডা পানি ব্লেন্ডার জারে নিয়ে তা ভালভাবে ব্লেন্ড করে নিন। এবার একটি ছাঁকনি দিয়ে ছেঁকে নিন। তারপর গ্লাসে ঢেলে বরফ কুচি দিয়ে পরিবেশন করুন।
গাজরের জুস : গাজরের জুস এ আছে ভিটামিন ই এবং বিটা ক্যারোটিন। এটি ত্বকের লাবণ্য ও উজ্জলতা বাড়ায়। তৈরির জন্য নিন গাজর ৫০০ গ্রাম, চিনি ২৫০ গ্রাম,পানি আধা লিটার বা পরিমাণ মতো, বাদাম গুঁড়ো সামান্য, বরফ কুচি সামান্য।
প্রস্তুতপ্রণালী : প্রথমে গাজর ভালো করে ধুয়ে খোসা ছাড়িয়ে নিন। এবার ভেতরের শক্ত অংশ ফেলে দিয়ে টুকরো টুকরো করে কেটে নিন। এখন ব্লেন্ডারে গাজর, চিনি ও পানি একসঙ্গে দিয়ে ব্লেন্ড করে নিন। এবার একটি ছাকনি দিয়ে ছেঁকে নিন। এখন বাদাম গুঁড়ো এবং বরফ কুচি দিয়ে গ্লাসে সাজিয়ে ইফতারে পরিবেশন করুন।
লেবুর জুস : লেবুতে আছে ভিটামিন সি, ভিটামিন বি, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস। লেবুর জুস শরীরে উৎপন্ন করে এবং হজম শক্তি বাড়ায়।
প্রস্তুতপ্রণালী : ২ টি লেবু ভালো করে ধুয়ে কেটে রস বের করে নিন। তাতে পানি, বিট লব্ণ, সাদা গোল মরিচের গুড়া ভালো ভাবে মিশিয়ে ১৫ মিনিটের জন্য ফ্রিজে রেখে দিন। ফ্রিজ থেকে বের করে বরফ কুচি দিয়ে ইফতারে পরিবেশন করুন।
আনারসের জুস : আনারসে আছে ক্যালসিয়াম, বিটা ক্যারোটিন। এছাড়া আছে ব্রোমেলিন যা হজম শক্তি বাড়ায়। বদহজম বা হজমজনিত যে কোনো সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে।পুদিনা পাতাও হজম শক্তি বাড়ায়।
প্রস্তুতপ্রণালী : আনারস দুইকাপ (কিউব করে) কাটা, বিট লবণ, পুদিনা পাতা, চিনি পরিমানমত এবং পানি একসঙ্গে দিয়ে ব্ল্যান্ড করে নিন। এবার একটি ছাঁকনি দিয়ে ছেঁকে নিন। এখন বরফ কুচি দিয়ে গ্লাসে সাজিয়ে ইফতারে পরিবেশন করুন।

