বদলি আদেশ কার্যকর হয়নি ১৪ মাসেও, বার্লিন মিশনে অনিয়মের বিস্তর অভিযোগ

0
বদলি আদেশ কার্যকর হয়নি ১৪ মাসেও, বার্লিন মিশনে অনিয়মের বিস্তর অভিযোগ

বাংলাদেশ দূতাবাস, বার্লিনে কাউন্সেলর (প্রজেক্ট) হিসেবে দায়িত্ব পালনরত তানভীর কবিরের বিরুদ্ধে সরকারের আদেশ অমান্য, স্বেচ্ছাচারিতা, দায়িত্বে অবহেলা এবং সরকারের আর্থিক বিধিমালা লঙ্ঘনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ২০২১ সালের অক্টোবর থেকে তিনি বার্লিন মিশনে কর্মরত। মার্চ ২০২৫-এ তৎকালীন দূতালয় প্রধান, মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশে বদলি হলে কবির রাষ্ট্রদূত কর্তৃক দূতালয় প্রধান হিসেবে অতিরিক্ত দায়িত্ব পান। দূতালয় প্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তিনি নিয়মবহির্ভূত সিদ্ধান্ত ও প্রশাসনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের একের পর এক উদাহরণ সৃষ্টি করে চলেছেন বলে জানা গেছে। স্থানীয় বাংলাদেশি কমিউনিটি থেকেও তার বিরুদ্ধে পাওয়া গেছে নানা অভিযোগ।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী, একজন কূটনীতিক সাধারণত কোনো মিশনে তিন বছর দায়িত্ব পালন করেন। সে হিসেবে কবিরের মেয়াদ পূর্ণ হয় ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ২১ নভেম্বর ২০২৪ তারিখে স্মারক নং: ১৯.০০.০০০০.১১১.৪০.৩৫৯.২০/১০২৩ এর মাধ্যমে তাকে পাকিস্তানের করাচি মিশনে বদলির আদেশ জারি করে। পরবর্তীতে তিনি আবেদনের মাধ্যমে বাংলাদেশ দূতাবাস বার্লিনের নিজস্ব চ্যান্সেরি ভবনের কাজের জন্য তার প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করে বার্লিন মিশনেই দায়িত্ব চালিয়ে যাওয়ার আবেদন করেন, যা তৎকালীন পররাষ্ট্র সচিব প্রত্যাখ্যান করেন। ১ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখে স্মারক নং ১৯.০০.০০০০.১১১.৪০.৩৫৯.২০/১১৩৩ এর মাধ্যমে সরকারি আদেশ অনুযায়ী তাকে পুনরায় অবিলম্বে নতুন কর্মস্থলে যোগদানের নির্দেশ দেওয়া হয়। সেই আদেশের ১৪ মাস পেরিয়ে গেলেও তিনি এখনো বার্লিনে কর্মরত রয়েছেন। 

জানা গেছে, জার্মানিতে অবস্থানরত একটি ইসলামী রাজনৈতিক দলের প্রবাসী উইংয়ের একজন সদস্য, সেই রাজনৈতিক দলের মতাদর্শের মন্ত্রণালয়ের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এবং বার্লিন দূতাবাসের বর্তমান রাষ্ট্রদূত তাকে বদলির পরও দূতাবাসের কার্যক্রম চালিয়ে যেতে সক্রিয় সহায়তা করছেন।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, ২০২২ সালে সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের নির্ধারিত বার্লিন সফরের সময়সূচি শেষ মুহূর্তে পরিবর্তন হওয়ায় হোটেলের অগ্রিম পেমেন্ট এবং গাড়ি ভাড়া বাবদই সরকারের আর্থিক ক্ষতি হয় প্রায় ৩ লাখ ১০ হাজার ইউরো। রাষ্ট্রপতি ও তার সফরসঙ্গীদের জন্য স্থানীয় একটি কোম্পানি থেকে ২৩টি গাড়ি ভাড়া নেওয়া হয় যার ৫০ শতাংশ অগ্রিম পরিশোধ করা হয়। কিন্তু শেষ মুহূর্তে রাষ্ট্রপতির স্ত্রীর অসুস্থতাজনিত কারণে সফরের তারিখ পরিবর্তন হলে চুক্তি অনুযায়ী কোম্পানিটি বাকি ৫০ শতাংশ অর্থ দাবি করে। দূতাবাস অর্থ না দেওয়ায় কোম্পানিটি আদালতে মামলা করে এবং আদালত কোম্পানির পক্ষে রায় দেয়। মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে দূতাবাস রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করে, কিন্তু আপিল আদালতেও রায় দূতাবাসের বিপক্ষে যায়। যদিও আদালত উক্ত রায়ের বিরুদ্ধে এক মাসের ভেতর উচ্চ আদালতে আপিলের সুযোগ রাখে। দূতাবাসের আইনজীবী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে চূড়ান্ত আপিলের পরামর্শ দেন এবং ইমেইলের মাধ্যমে দূতালয় প্রধান কবিরকে বিষয়টি অবহিত করেন। কিন্তু এক মাসেও তিনি ইমেইলের কোনো জবাব দেননি। ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ছিল আপিলের শেষ দিন। সেদিন বিকেল পর্যন্তও তিনি কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় আইনজীবী টেলিফোনের মাধ্যমে কবিরকে এ বিষয়ে স্মরণ করিয়ে দিলে তাৎক্ষণিক রাষ্ট্রদূত নিজ উদ্যোগে মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করে।

জানা যায়, মন্ত্রণালয়কে ব্যাপারটি ভিন্নভাবে উপস্থাপন করে কোম্পানিকে বাকি ৫০ শতাংশ অর্থ সুদ ও আইনি খরচসহ প্রদানের ব্যাপারে অর্থ ছাড়ের অনুমতি চাওয়া হয়েছে। আপিলের সুযোগ থাকা সত্ত্বেও এই অর্থ ছাড় সরকারের কোটি টাকার উপরে ক্ষতি নিশ্চিত করবে। 

অনুসন্ধানে দেখা যায়, কবির মন্ত্রণালয়ের অনুমতি না নিয়েই আদালতে রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেন। পরবর্তীতে মন্ত্রণালয় জানতে পারলে মৌখিকভাবে এর কৈফিয়ত তলব করে। এ ব্যাপারে তিনি রাষ্ট্রদূতেরও অনুমতি নেননি। পরবর্তীতে চাপে পড়ে তিনি আপিল তুলে নেন। যেহেতু আপিলের ব্যাপারটি অর্থ ব্যয় সাপেক্ষ এবং আপিল তুলে নিলেও আপিলের জামানত অর্থ ফেরত পাবেন না, এ ক্ষেত্রেও উদ্ভূত ব্যয় তিনি কীভাবে নির্বাহ করেছেন বা করবেন তার ব্যাপারে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায়নি।

জানা গেছে, কবির দূতালয় প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার পর সরকারি অর্থ ব্যয় সংক্রান্ত নীতিমালার কোনো অনুসরণই করছেন না। কোনো রকম পূর্বানুমতি ব্যতীত অপ্রয়োজনীয় ব্যয় করে যাচ্ছেন নিজের ইচ্ছেমতো। পরবর্তীতে ব্যাকডেটে রাষ্ট্রদূত থেকে সাইন করিয়ে নিচ্ছেন ফাইল। দৈনন্দিন কেনাকাটা এবং দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য যেসব জিনিস কেনা হচ্ছে সেখানেও দেখা হচ্ছে না উক্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য কেনা জিনিস তার সরকারি প্রাপ্যতায় আছে কিনা। 

তাছাড়া দূতাবাসের খরচ বহন করা হতো জমা স্লিপ ও ব্যাংক ট্রান্সফারের মাধ্যমে। শুধুমাত্র দূতাবাসের ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল সহ দৈনন্দিন খরচের জন্য ব্যাংক থেকে অর্থ উত্তোলনে দূতাবাসের ডেবিট কার্ড ব্যবহৃত হতো। এ কর্মকর্তা এ ধরনের প্রচলিত নিয়মগুলোও মানছেন না, যে কোনো খরচে ইচ্ছেমতো ব্যবহার করছেন দূতাবাসের ব্যাংক কার্ড। পূর্বে দূতাবাসে কখনোই এটিএম কার্ড খুচরা খরচের জন্য ব্যবহার করা হতো না। শুধুমাত্র বড় অফিসিয়াল ব্যয়ের ক্ষেত্রে, যেখানে তাৎক্ষণিক নগদ পরিশোধ প্রয়োজন এবং ব্যাংক ট্রান্সফার সম্ভব নয়, সেসব ক্ষেত্রে সীমিতভাবে কার্ড ব্যবহার করা হতো। অনেক সময় অন্য ব্যাংকের বুথ ব্যবহার করে টাকা উত্তোলন করা হচ্ছে, ফলে প্রতিবার এ ধরণের নগদ উত্তোলনে গুনতে হয়েছে অতিরিক্ত ব্যাংক চার্জ। এই অতিরিক্ত চার্জের জন্য দূতাবাসে কোনো নির্দিষ্ট বাজেট খাত নেই। ফলে অ্যাকাউন্টস বিভাগকে হিসাব সংরক্ষণে অযথা জটিলতার মুখে পড়তে হচ্ছে। 

এছাড়া অভিযোগ রয়েছে যে, দূতাবাসের নিজস্ব ভবন নির্মাণ প্রকল্পে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে কবিরের অবহেলা এবং বিভিন্ন সময়ে অর্থ পরিশোধের নির্ধারিত সময়সীমা অতিক্রম হওয়ায় সরকারকে এ পর্যন্ত উল্লেখযোগ্য অঙ্কের জরিমানা পরিশোধ করতে হয়েছে। বিষয়টি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি রাখে। 

সংশ্লিষ্টদের ধারণা, আগামীতে যখন দূতাবাসে অডিট সম্পন্ন হবে, এ কর্মকর্তার এ ধরনের অপ্রয়োজনীয় ব্যয় ও অনিয়মের ব্যাপারে ব্যাপক অডিট আপত্তি হবে। 

অনুসন্ধানে জানা যায়, জার্মান ফেডারেল ফরেন অফিসও উক্ত কর্মকর্তার ওপর বিরক্ত। একাধিক পূর্বনির্ধারিত এপোয়েন্টমেন্টে উপস্থিত না থাকা বা নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত না হওয়া, ডিপ্লোম্যাটিক প্রথা ভেঙে অপ্রয়োজনীয় নোট ভারবাল প্রেরণ সহ স্থানীয়ভিত্তিক কর্মচারীদের তার বিরুদ্ধে ফেডারেল ফরেন অফিসে একাধিক অভিযোগ জমা হয়েছে। এ ধরনের আচরণ দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কেও দীর্ঘ মেয়াদে প্রভাব ফেলার শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

এর আগে সাবেক রাষ্ট্রদূত মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়ার ব্যক্তিগত ইচ্ছায় কবিরকে ২০২১ সালে জার্মানির বার্লিন দূতাবাসে তৎকালীন সরকার নিয়োগ প্রদান করলেও ৫ আগস্টের পর তিনি অতি বিপ্লবী হিসেবে আবির্ভূত হন। তার বিরুদ্ধে বিগত নির্বাচনের আগে জার্মানিতে অবস্থিত বাংলাদেশের বড় একটি ইসলামী দলের প্রবাসী উইংয়ের পক্ষে কাজ করার সুস্পষ্ট অভিযোগের পাশাপাশি একটি ইসলামী এনজিওর সঙ্গে সম্পর্কের অভিযোগও রয়েছে। ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে দূতাবাস কর্তৃক আয়োজিত স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে তিনি একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি, লেখিকা ও সাংবাদিক নাজমুন নেসা পিয়ারিকে অনুষ্ঠানের মাঝপথে অপমানজনকভাবে অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগে বাধ্য করেন। দায়িত্বরত একজন কূটনৈতিক কর্মকর্তার এ ধরনের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা আইনসিদ্ধ ও নৈতিকভাবে গ্রহণযোগ্য কি না, সে বিষয়ে গুরুতর প্রশ্ন রয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, তিনি দূতাবাসে স্থানীয় ভিত্তিক কর্মচারী ও হোম-বেসড কর্মচারীদের মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি করে ‘ডিভাইড অ্যান্ড রুল’ নীতি অনুসরণ করছেন এবং হেইট প্রিচিং (ঘৃণা বিদ্বেষ) চর্চা করছেন। দ্বিতীয় বিবাহের অভিযোগে তার রোষানলে পড়ে মো. শরীফ হোসেন নামে একজন স্থানীয় ভিত্তিক বাংলাদেশী কর্মচারী চাকরি হারিয়েছেন, যিনি গত আট বছর ধরে উক্ত মিশনে কর্মরত ছিলেন। 

জানা গেছে, ধর্ম ভিত্তিক সেই রাজনৈতিক দলের একজন স্থানীয় নেতাকে খুশি করতে কবির এই কর্মচারীকে চাকরিচ্যুত করেন। সেই কর্মচারীর অভিযোগ অনুসারে, তাকে ডিপোর্টেশনের ভয় দেখিয়ে, আইনজীবী এনে একটি কক্ষে আটকে রেখে জোরপূর্বক অব্যাহতিপত্রে স্বাক্ষর করিয়ে নেওয়া হয়। স্বাক্ষরিত পত্রে তাকে ৪ মাসের নোটিশ প্রদান করা হলেও তাকে দুই মাসের বেতন প্রদান করা হয়। কবির জার্মানি থেকে ফেরত গেলে উক্ত কর্মচারী চাকরি ফেরতের আবেদন সহ কোর্টে দূতাবাসের বিরুদ্ধে মামলা করার কথা চিন্তা করছেন। জোরপূর্বক অব্যাহতিপত্রে স্বাক্ষর করিয়ে নেওয়ার অডিও প্রমাণস্বরূপ উক্ত কর্মচারী সংরক্ষণ করেছেন। 

এছাড়া, ৩৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে দূতাবাসে কর্মরত একজন সিনিয়র বাংলাদেশি কর্মচারীকেও চাকরিচ্যুত করার চেষ্টা করা হয়েছিল বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। তবে রাষ্ট্রদূতের হস্তক্ষেপে বিষয়টি শেষ পর্যন্ত স্বাভাবিক হয়। 

আরও অভিযোগ রয়েছে, সম্প্রতি ক্যান্সার থেকে সুস্থ হয়ে কর্মস্থলে ফিরে আসা এক জার্মান নারী কর্মচারীকেও কবির চাকরিচ্যুত করার জন্য নানাভাবে প্রচেষ্টা চালিয়েছেন। 

সম্প্রতি কবিরের দূতাবাসের কমার্শিয়াল উইংয়ে কর্মরত একজন জার্মান নারীর সঙ্গে অপেশাদার আচরণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ২০২৫ সালের অক্টোবরে ফ্রাঙ্কফুর্ট বই মেলায় কবির ওই জার্মান নারীকে তার ও দূতাবাসের গাড়ি চালকের মেলার ভিজিটর টিকিট তৈরি করার পরিবর্তে কেন তাকে ভাউচার কোড দেওয়া হলো, সেজন্য মেলার শতশত দর্শনার্থীর সামনে উচ্চস্বরে অপমানিত করেন। মেলায় বাংলাদেশ প্যাভিলিয়নে এরূপ আচরণ ব্যাপকভাবে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করে। ভুক্তভোগী নারী রাষ্ট্রদূতের নিকট অভিযোগ দায়ের করলেও রাষ্ট্রদূত কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় উক্ত নারী বাংলাদেশে ন্যাশনাল বুক সেন্টার, সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণের নিকট অভিযোগ দায়ের করে। 

মন্ত্রণালয় থেকেও কোনো উত্তর না পেয়ে উক্ত নারী পুরো বিষয়টি জার্মান ফেডারেল ফরেন অফিসে জানায়। ফেডারেল ফরেন অফিস উক্ত নারীর সঙ্গে একাধিকবার এ বিষয়ে যোগাযোগ করে। ন্যাশনাল বুক সেন্টারের তৎকালীন পরিচালক আফসানা বেগমও এ ব্যাপারে কবিরের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদূতের নিকট অভিযোগ দায়ের করেন। 

পূর্বে বার্লিন মিশনে কর্মরত একজন কূটনৈতিক  কবিরের ব্যাপারে জানতে চাইলে বলেন, কবিরের এসব অভ্যাস পুরোনো। ২০১৩ সালে সৌদি আরবের জেদ্দায় পোস্টিংয়ের প্রথম মাসেই একজন এনএসআই কর্মকর্তার সঙ্গে দুর্ব্যবহার ও হাতাহাতির ঘটনায় খুব অল্প সময়ের মধ্যেই তাকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়। সে সময় বিষয়টি একাধিক জাতীয় পত্রিকার পাতায় স্থান পায়। পরবর্তীতে মেক্সিকোতে দায়িত্ব পালনকালে তখনকার রাষ্ট্রদূত সুপ্রদীপ চাকমা (সদ্য সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা) কর্তৃক সরকারি বিধি লঙ্ঘন, সহকর্মীদের প্রতি অসৌজন্যমূলক আচরণ এবং প্রবাসী কমিউনিটির সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগে তাকে ২০১৭ সালে দেশে ফেরত পাঠানো হয়।

সৌজন্যে: বাংলা আউটলুক

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here