আইসিসির সাদা বলের প্রতিযোগিতায় সাম্প্রতিক সময়ে দাপট দেখালেও এবার ঘরের মাঠের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে চাপে আছে ভারত। সেমিফাইনাল এখনও নিশ্চিত হয়নি। এমন পরিস্থিতিতে ভারতের প্রধান কোচ গৌতম গম্ভীরকে সতর্কবার্তা দিয়েছেন ইংল্যান্ডের সাবেক পেসার স্টিভ হারমিসন।
২০২৪ সালে কোচ হওয়ার পর সাদা বলের ক্রিকেটে ভারত দারুণ ছন্দে। টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক সূর্যকুমারের সঙ্গে গম্ভীরের বোঝাপড়া ইতিবাচক ফল দিচ্ছে। তবে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে দল হোঁচট খেলেই ডাগআউটে গম্ভীরের উদ্বিগ্ন চেহারা নজরে পড়ে।
পরশু কলকাতার ইডেন গার্ডেনসে অলিখিত কোয়ার্টার ফাইনালে মুখোমুখি হবে ভারত ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ক্যারিবীয়রা টি-টোয়েন্টিতে যেকোনো দিন ভয়ংকর হয়ে উঠতে পারে এ কথা সবারই জানা। ফলে ম্যাচটি ভারতের জন্য অগ্নিপরীক্ষা।
এক সাক্ষাৎকারে হারমিসন বলেন, বিশ্বকাপ জিততে না পারলে গম্ভীরের অবস্থান নড়বড়ে হয়ে যেতে পারে। তার ভাষায়, একজন কোচের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো নিজের ভুল স্বীকার করে তা সংশোধন করা। তিনি গম্ভীরের কোচিং ধরন ও নিজের পছন্দের সহকারীদের প্রতি আনুগত্যের প্রশংসা করলেও মনে করেন, আত্মসমালোচনার জায়গায় আরও দৃঢ় হওয়া দরকার।
গম্ভীর দায়িত্ব নেওয়ার পর ভারতের বোলিং কোচ হিসেবে মরনে মরকেল এবং সহকারী কোচ হিসেবে রায়ান টেন ডাসকাটকে নিয়োগ দিয়েছেন। তাদের সঙ্গে কাজ করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন বলেই এই সিদ্ধান্ত এমনটাই মত হারমিসনের।
উল্লেখ্য, গম্ভীরের অধীনে ভারত ২০২৫ চ্যাম্পিয়নস ট্রফি জিতেছে। চলতি বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বে টানা চার জয় তুলে নিয়ে সুপার এইটে ওঠে তারা। তবে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে বড় ব্যবধানে হার চাপে ফেলে দেয় দলকে। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে জয়ে সেমিফাইনালের আশা বাঁচিয়ে রেখেছে ভারত। তবুও টেস্ট ক্রিকেটে ঘরের মাঠে নিউজিল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হারের পর গম্ভীরের কৌশল নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে বারবার।
২০২৭ সাল পর্যন্ত ভারতীয় দলের সঙ্গে চুক্তি রয়েছে গম্ভীরের। তবে বিশ্বকাপে ব্যর্থ হলে তার ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা যে তীব্র হবে, তা বলাই যায়।

