কঠোর নিরাপত্তার আর বাধার মুখেও অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেমে অবস্থিত আল-আকসা মসজিদে ৫০ হাজার ফিলিস্তিনি এশা এবং রমজানের তারাবিহ নামাজ আদায় করেছেন।
জেরুজালেম গভর্নরেটের মতে, ইসরায়েলি সামরিক চেকপয়েন্ট এবং মসজিদের গেটে কঠোর পরিচয় যাচাই সত্ত্বেও মুসল্লিরা মসজিদে জড়ো হয়েছিল।
আরব নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অধিকৃত পশ্চিম তীরে বসতি স্থাপনকারীদের আক্রমণ, ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর অভিযান এবং গ্রেপ্তারসহ তীব্র উত্তেজনার মধ্যে মুসল্লিরা নামাজ আদায় করছেন।
ওয়াফা সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, সম্প্রতি ৩০০ জনেরও বেশি জেরুজালেমবাসী রমজান মাসে আল-আকসায় প্রবেশ নিষিদ্ধ করার জন্য ইসরায়েলের পক্ষ থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ইসরায়েলি বাহিনী জেরুজালেমে তাদের সামরিক উপস্থিতি বৃদ্ধি করেছে এবং ১২ বছরের কম বয়সী শিশু, ৫৫ বছরের বেশি বয়সী পুরুষ এবং ৫০ বছরের বেশি বয়সী মহিলাদের মসজিদে প্রবেশাধিকার সীমিত করেছে।
বুধবার থেকে হাজার হাজার ফিলিস্তিনি আল-আকসায় নামাজে যোগদানের আশায় কালান্দিয়া এবং বেথলেহেমসহ সামরিক চেকপয়েন্ট অতিক্রম করার জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন।
উল্লেখ্য, আল-আকসা মসজিদ প্রস্তাবিত ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের রাজধানী পূর্ব জেরুজালেমে অবস্থিত। এক সময় পূর্ব জেরুজালেম মুক্ত ছিল। ১৯৫৭ সালের আরব-ইসরায়েল যুদ্ধে ইসরায়েল জয়ী হওয়ার পর এ অঞ্চলটি ইসরায়েলের দখলে আসে। এখনও পূর্ব জেরুজালেম ইসরায়েলের দখলে আছে।
২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর অভিযান শুরুর পর থেকে জেরুজালেমে মুসলিমদের প্রবেশে ব্যাপক বিধিনিষেধ আরোপ করে দখলদার ইসরায়েল। তবে ২০২৫ সালের অক্টোবরে যুদ্ধবিরতি হওয়ার পর থেকে সেসব বিনিনিষেধে কিছুটা শিথিলতা এনেছে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ।

