রমজানের সঙ্গে খেজুরের সম্পর্ক বহুদিনের। সারাদিন পানাহার থেকে বিরত থাকার পর খেজুর খেয়ে রোজা ভাঙেন ধর্মপ্রাণ মুসলিমরা। কম সময়ে শক্তি ও পুষ্টি পেতে খেজুরের বিকল্প খুব কম। তবে শুধু খেজুর খাওয়ার বদলে এর সঙ্গে আরও কিছু উপাদান যোগ করলে পুষ্টিগুণ যেমন বাড়ে, তেমনি স্বাদেও আসে বৈচিত্র্য।
খেজুর লজেন্স
ছোট-বড় সবার পছন্দ হতে পারে এমন একটি সহজ আয়োজন খেজুর লজেন্স। ভালো মানের খেজুর লম্বালম্বি চিরে বীজ বের করে নিন। ভেতরে চকলেট-আবৃত বাদাম ভরে দিতে পারেন। চাইলে চিজ বা পেস্তাও ব্যবহার করা যায়। প্লেটে সাজিয়ে পরিবেশন করলে দেখতে যেমন আকর্ষণীয় লাগবে, তেমনি খেজুর ও বাদামের মিশ্রণে মিলবে বাড়তি পুষ্টি।
খেজুর স্মুদি
ইফতারের টেবিলে অনেকেই বিভিন্ন ধরনের স্মুদি রাখেন। কৃত্রিম চিনি ব্যবহার না করে কয়েকটি খেজুর ব্লেন্ড করে দিলে স্মুদিতে প্রাকৃতিক মিষ্টত্ব আসে। এতে স্বাদে ভারসাম্য বজায় থাকে। পাশাপাশি খেজুরে রয়েছে পর্যাপ্ত ক্যালরি ও বিভিন্ন খনিজ উপাদান, যা দ্রুত শক্তি জোগাতে সহায়তা করে।
খেজুর বল
খেজুরের বীজ ফেলে ব্লেন্ড করে মণ্ড তৈরি করুন। আখরোট, পেস্তা, কাঠবাদাম, কুমড়া ও তিসির বীজ শুকনা খোলায় হালকা ভেজে নিন। সামান্য ঘি ও স্বাদমতো লবণ দিয়ে ১–২ মিনিট নাড়াচাড়া করুন। এরপর এগুলো হালকা থেঁতলে খেজুরের মণ্ডের সঙ্গে মিশিয়ে ছোট ছোট বলের আকার দিন।
এই খেজুর বল রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়াতে ও দ্রুত শক্তি জোগাতে সহায়ক। আকারে ছোট ও দেখতে আকর্ষণীয় হওয়ায় শিশুরাও সহজে খেতে আগ্রহী হবে।
ইফতারে সচেতনভাবে পুষ্টিকর খাবার বেছে নিলে রমজান হতে পারে সুস্থ খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলারও একটি সুন্দর সুযোগ।

