উইকেট নেওয়ার চেষ্টায় খরুচে হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি নিলেন লুঙ্গি এনগিডি। সেটা কাজেও লেগে গেল। সতীর্থরা আক্রমণাত্মক সব ইনিংসে দুইশ ছাড়ানো সংগ্রহ এনে দিলেও ম্যাচ সেরার পুরস্কার জিতলেন দক্ষিণ আফ্রিকার এই পেসার।
কানাডার বিপক্ষে ৫৭ রানের অনায়াস জয় দিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অভিযান শুরু করেছে গত আসরের রানার্সআপ দক্ষিণ আফ্রিকা। আহমেদাবাদে সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) ২১৩ রানের বড় সংগ্রহ গড়ে প্রতিপক্ষকে ১৫৬ রানে থামিয়েছে তারা। ৩১ রানে ৪ উইকেট নিয়ে দলের জয়ে বড় ভূমিকা রেখে ম্যাচ-সেরার পুরস্কার জিতেছেন এনগিডি; টি-টোয়েন্টিতে চতুর্থবার, বিশ্বকাপে দ্বিতীয়বার।
প্রথম তিন ওভারে তিন উইকেট হারিয়ে শুরুতেই ম্যাচ থেকে একরকম ছিটকে যায় কানাডা। ইনিংসের প্রথম বলে শিকার ধরা এনগিডি পরের ওভারে চার বলের মধ্যে নেন ইউভরাজ সামরা ও নিকোলাস কার্টনের উইকেট। সেই ধাক্কা আর সামলাতে পারেনি কানাডা। পরে হার্শ ঠাকারকেও বিদায় করেন এনগিডি। ২০২২ আসরে প্রথমবার বিশ্বকাপে ম্যাচ-সেরার পুরস্কার জয়ের দিনে ভারতের বিপক্ষেও চার উইকেট নিয়েছিলেন তিনি।
ম্যাচ শেষে পুরস্কার নেওয়ার সময় এনগিডি বলেন, এদিন তার মনোযোগ ছিল কেবল উইকেটের দিকে। তিনি জানান, উইকেট নেওয়ার পথ বের করে নিতে হয়, ঝুঁকি নিতে হয়। কখনও কখনও বাউন্ডারি হজম করবেন, কিন্তু কখনও কখনও ঝুঁকিপূর্ণ বলগুলো শেষ পর্যন্ত উইকেট এনে দেয়।

