-Mango-Garden-04-06-2023.jpg)
গাছে থোকায় থোকায় ঝুলে রয়েছে বিভিন্ন প্রজাতির রঙ বে-রঙের আম। আর গন্ধে মৌ মৌ করছে বাগান। আমের ভারে নুয়ে পড়ছে গাছের ডালপালা। লবনাক্ত জমিতে বিদেশি জাতের আম চাষ করে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার লতাচাপলী ইউনিয়নের মুসুল্লীয়াবাদ গ্রামের মো. জাহাঙ্গীর মুসল্লি।
তিনি পেশায় একজন পুস্তক ব্যবসায়ী। তার প্রায় ৬ একর জমিতে ১৫ থেকে ১৬ প্রজাতির আম গাছ রয়েছে। তবে শখের বাগান এখন স্বপ্ন দেখাতে শুরু করেছে। তার সফলতা দেখে অনেকেই আম বাগান করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন।
মুসল্লিবাদ ইসলামিয়া সিনিয়র মাদ্রাসার ইংরেজি প্রভাষক মো. সাইদুর রহমান বলেন, সত্যিই তিনি অত্যন্ত সাহসিকতার পরিচয় দিয়ে সফলতা অর্জন করেছেন। দক্ষিণ অঞ্চলের লবণাক্ত জমিতে বিদেশি আমের বাগান করা এক ধরনের চ্যালেঞ্জ। সেই চ্যালেঞ্জ নিয়ে সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন। এখন তার বাগানের আম দেখলে প্রাণ জুড়িয়ে যায়।
উপকূলীয় মানব উন্নয়ন সংস্থা সিকোডা’র নির্বাহী পরিচালক মো.মিজানুর রহমান বলেন, মৎস্য বন্দর আলীপুরে তার লাইব্রেরীতে গত কয়েক বছর যাবত আম বিক্রি করছেন। সেখান থেকে বহুবার কিনেছি। তার বাগানের আম খুব সুস্বাদু।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এ আর এম সাইফুল্লাহ বলেন, কলাপাড়ায় বাণিজ্যিকভাবে আমের বাগান বাড়ছে। এর মধ্যে লতাচাপলী ইউনিয়নের জাহাঙ্গীর মুসল্লির বাগানটি অন্যতম। সঠিকভাবে পরিচর্যা করতে পারলে এ অঞ্চলে আমের বাগানের সম্ভাবনা খুবই উজ্জ্বল।

