ইরানের সঙ্গে উত্তেজনা বৃদ্ধির মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক মহড়ার ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, এই মহড়ার মাধ্যমে কঠিন পরিস্থিতিতে যুদ্ধবিমান পরিচালনার সক্ষমতা যাচাই করা হবে। একই সঙ্গে মিত্র দেশগুলোর সঙ্গে সমন্বয়ও পরীক্ষা করা হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম—মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন বাহিনীর দায়িত্বপ্রাপ্ত কমান্ড) এক বিবৃতিতে বলা হয়, এই মহড়ায় বিমানবাহিনীর সদস্যরা দেখাবেন কীভাবে তারা নিরাপদ ও সুনির্দিষ্টভাবে যুদ্ধ প্রস্তুতি নিতে পারে। তবে মহড়ার সুনির্দিষ্ট স্থান ও সময় জানানো হয়নি।
এই ঘোষণা এমন এক সময় আসলো যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে লক্ষ্য করে কঠোর ভাষায় কথা বলছেন। যদিও যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে কি না, সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। ট্রাম্প বলেন, পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং তিনি সংঘাত এড়াতে চান।
এদিকে ইরান পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়েছে। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি হামলা চালায়, তাহলে ইরান কঠোর জবাব দেবে। এতে শুধু ইরান নয়, পুরো মধ্যপ্রাচ্য অস্থিতিশীল হয়ে পড়তে পারে। তিনি আরও বলেন, বিদেশি যুদ্ধজাহাজের উপস্থিতি ইরানের প্রতিরক্ষা মনোবল দুর্বল করতে পারবে না।
অন্যদিকে, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ কয়েকটি দেশ জানিয়েছে, তারা তাদের আকাশসীমা বা ভূখণ্ড ইরানের বিরুদ্ধে কোনো সামরিক অভিযানে ব্যবহার করতে দেবে না।

