২০২৬ সালের টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ এবং ভারত সফর নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে পারে ২১ জানুয়ারি, এমনটাই জানাচ্ছে ক্রিকেট সম্পর্কিত ওয়েবসাইট ইএসপিএন ক্রিকইনফো। ঢাকায় এক সপ্তাহের ব্যবধানে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের দ্বিতীয় দফার আলোচনায় এই সময়সীমার কথা জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, প্রায় তিন সপ্তাহ ধরে চলা এই অচলাবস্থার বিষয়ে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড বা বিসিবির চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় থাকবে আইসিসি। যদি বাংলাদেশ শেষ পর্যন্ত ভারত সফরে যেতে অস্বীকৃতি জানায়, তাহলে বর্তমান র্যাঙ্কিং অনুযায়ী স্কটল্যান্ডকে বিকল্প দল হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হতে পারে।
বিসিবি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণে আগ্রহ প্রকাশ করেছে, তবে ভারতের বাইরে ম্যাচ আয়োজনের দাবিতে অনড় অবস্থানে রয়েছে। সহ-আয়োজক শ্রীলঙ্কায় ম্যাচ স্থানান্তরের প্রস্তাব দেওয়া হলেও আইসিসি মূল সূচি পরিবর্তনে রাজি হয়নি। বাংলাদেশ গ্রুপ ‘সি’-তে অবস্থান করছে।
এই গ্রুপে বাংলাদেশের উদ্বোধনী ম্যাচ ৭ ফেব্রুয়ারি ওয়েস্ট ইন্ডিজের সঙ্গে কলকাতার এডেন গার্ডেন্সে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। একই ভেন্যুতে ফেব্রুয়ারি ৯ ও ১৪ তারিখে ইতালি ও ইংল্যান্ডের সঙ্গে ম্যাচ হওয়ার কথা। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচ ১৭ ফেব্রুয়ারি মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে নেপালের বিপক্ষে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা।
আইসিসি জানিয়েছে, বাংলাদেশের জন্য কোনো নির্দিষ্ট হুমকির তথ্য তাদের কাছে নেই। স্বাধীন নিরাপত্তা সংস্থার রিপোর্টে ভারতের সামগ্রিক ঝুঁকি ‘মাঝারি থেকে উচ্চ’ বলা হলেও কোনো দলের বিরুদ্ধে আলাদা হুমকির কথা উল্লেখ করা হয়নি।
পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম জিও নিউজ জানিয়েছে, বাংলাদেশকে পূর্ণ সমর্থন দিয়েছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। ভারত সফরে দল না পাঠানোর বিষয়ে বাংলাদেশ সরকার পাকিস্তান সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। যদিও এখনও বিসিবি বা সরকারের পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
বাংলাদেশ ও আয়ারল্যান্ডের মধ্যে গ্রুপ অদলবদলের প্রস্তাবের বিষয়ে আয়ারল্যান্ড মূল সময়সূচি থেকে সরে যাবে না বলে নিশ্চিত করেছে। ভারতের সিনিয়র ক্রীড়া সাংবাদিক বোরিয়া মজুমদারের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, শেষ মুহূর্তে গ্রুপ পরিবর্তন করলে ভ্রমণ ও অর্থ বিনিয়োগ করা সমর্থকদের জন্য অন্যায় হবে।
সূত্র: বিবিসি বাংলা

