ঢাকাকে হারিয়ে প্লে-অফ নিশ্চিত করল রংপুর

0
ঢাকাকে হারিয়ে প্লে-অফ নিশ্চিত করল রংপুর

পরপর তিন ম্যাচ হেরে কিছুটা শঙ্কায় পড়ে গিয়েছিল রংপুর রাইডার্স। তবে সেটিকে বড় হতে দেননি দাভিদ মালান, তাওহিদ হৃদয়, নাহিদ রানারা। তাদের চমৎকার পারফরম্যান্সে ঢাকা ক্যাপিটালসকে হারিয়ে প্লে-অফ নিশ্চিত করল রংপুর।

মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শনিবার দুপুরের ম্যাচে ঢাকাকে ১১ রানে হারায় রংপুর। আগে ব্যাট করে মালান ও হৃদয়ের ফিফটিতে তারা পায় ১৮১ রানের পুঁজি। পরে নাহিদের তোপে ১৭০ রানের বেশি করতে পারেনি ঢাকা।

৯ ম্যাচে রংপুরের এটি পঞ্চম জয়। চতুর্থ দল হিসেবে প্লে-অফে উঠল তারা। বিদায় নিশ্চিত হয়ে গেল ৯ ম্যাচে ২টি জেতা ঢাকার। রংপুরের আগে প্লে-অফে ওঠে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স, চট্টগ্রাম রয়্যালস ও সিলেট টাইটান্স।

রান তাড়ায় কাইল মেয়ার্সের প্রথম বলেই ছক্কা মারেন উসমান খান। প্রথম ওভার থেকে আসে ১৭ রান। কিন্তু শুরুর এই ঝড় আর চালিয়ে নিতে পারেনি ঢাকা। উল্টো পাওয়ার প্লের ভেতরে তারা হারিয়ে ফেলে ৩টি উইকেট। ১৮ বলে ৩১ রান করে ফেরেন উসমান। রানের খাতা খুলতে পারেননি আব্দুল্লাহ আল মামুন। ক্রিজে গিয়ে প্রথম বল ছক্কায় ওড়ালেও ৬ বলে ১২ রান করে নাহিদ রানার গতিময় ডেলিভারিতে বোল্ড হয়ে ড্রেসিং রুমের পথ ধরেন সাইফ হাসান। সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত ৮ ইনিংসে বাংলাদেশ জাতীয় দলের সহ-অধিনায়কের সংগ্রহ মাত্র ৬০ রান। গড় ৭.৫০ আর স্ট্রাইক রেট মাত্র ৮৩.৩৩।

এরপর সাব্বির রহমান ও মোহাম্মদ মিঠুনকেও ফেরান নাহিদ। তার গতির কোনো জবাব দিতে পারেননি অভিজ্ঞ ব্যাটাররা। ৪ ওভারে মাত্র ১১ রান খরচ করেন ২৩ বছর বয়সী পেসার। কোটার পুরো ওভার করে এর চেয়ে কম রান আগে দেননি নাহিদ। পরে মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন একার লড়াইয়ে দলকে এগিয়ে নেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত জেতাতে পারেননি। ৩ চার ও ৬ ছকায় ৩১ বলে খেলেন ক্যারিয়ার সেরা ৫৮ রানের ইনিংস। নাহিদের ৩ উইকেটের পাশাপাশি ফাহিম আশরাফ নেন ২ উইকেট।

এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে চমৎকার জুটি গড়েন তাওহিদ হৃদয় ও দাভিদ মালান। শুরুতে কিছুটা সময় নিলেও ক্রমেই খোলস ছেড়ে বের হন দুই ওপেনার। পাওয়ার প্লেতে আসে বিনা উইকেটে ৫০ রান। একই ছন্দে এগিয়ে ১২তম ওভারে একশ রান পূর্ণ হয় রংপুরের। ৬ চার ও ২ ছক্কায় ৩৫ বলে ফিফটি করেন মালান। ৪ চার ও ৩ ছক্কায় ফিফটি করতে হৃদয় খেলেন ৪০ বল। ১৪ ওভারে ১২৬ রান করে ফেলেন দুই ওপেনার।

১৫তম ওভারে তাসকিন আহমেদের প্রথম বলে স্কুপ করতে গিয়ে বোল্ড হন ৪৯ বলে ৭৮ রান করা মালান। পরে কাইল মেয়ার্সের সঙ্গে ১৮ বলে ৩৩ রানের জুটি গড়েন হৃদয়। তার ব্যাট থেকে আসে ৪৬ বলে ৬২ রান। এছাড়া ১৬ বলে ২৪ রানের ইনিংস খেলেন কাইল মেয়ার্স। পাঁচ নম্বরে নেমে প্রথম বলেই ক্যাচ আউট হন লিটন কুমার দাস। ঢাকার পক্ষে ৩৩ রানে ২ উইকেট নেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here