পাকিস্তানের ক্রিকেটারদের রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার নজির নতুন নয়। কিংবদন্তি অলরাউন্ডার ইমরান খান রাজনৈতিক দল গঠন করে দেশটির প্রধানমন্ত্রীও হয়েছেন। তার সতীর্থ সরফরাজ নওয়াজও পাকিস্তান পিপলস পার্টিতে যোগ দিয়ে ক্রীড়ামন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
সেই ধারাবাহিকতায় রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার ইঙ্গিত দিলেন পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক শহিদ আফ্রিদি। সম্প্রতি করাচি ছেড়ে রাজধানী ইসলামাবাদে বাসস্থান পরিবর্তন করেছেন আফ্রিদি। এরপরই এই তারকার রাজনীতিতে যোগ দেওয়া নিয়ে নতুন করে শুরু হয়েছে আলোচনা।
শৈশবে পাকিস্তানের উত্তরাঞ্চলের একটি উপজাতীয় এলাকায় জন্ম হলেও আফ্রিদি জীবনের প্রায় পুরোটা সময় কাটিয়েছেন করাচিতে। তবে আফ্রিদি নিজেই নিশ্চিত করেন, এখন থেকে তিনি ইসলামাবাদেই থাকছেন।
রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার পরিকল্পনা আছে কি না- এমন প্রশ্নে আপাতত বিষয়টি নাকচ করে দিলেও ভবিষ্যতের দরজা খোলা রাখলেন আফ্রিদি।
তিনি বলেন, ‘আমি চাই পাকিস্তান এগিয়ে যাক। আর সেটা সম্ভব তখনই, যখন সরকার ও গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানগুলোকে সাংবিধানিক মেয়াদ পূর্ণ করতে দেওয়া হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘পাকিস্তান এবং পাকিস্তান ক্রিকেট আমাকে নাম খ্যাতি ও সম্পদ সবকিছু দিয়েছে। অবশ্যই আমার দেশের জন্য কিছু করতে চাই।’
এর আগে একাধিকবার রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার প্রশ্নে ‘না’ বললেও এবার তার বক্তব্যে কিছুটা ভিন্ন সুর দেখা গেছে। আফ্রিদি জানান, অতীতে তাকে সরকারি দায়িত্ব নেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল, তবে তিনি তা গ্রহণ করেননি। কারণ শুধুমাত্র একটি পদে বসে থাকা নয়, দেশের জন্য বড় প্রভাব রাখতে চান তিনি।
সূত্র: দ্যা ইকোনোমিক টাইমস

