দীর্ঘ নাটকীয়তার পর মাঠে ফেরা বিপিএলের দিনে চট্টগ্রাম রয়্যালসের বোলিং তোপে ধসে পড়েছে নোয়াখালী এক্সপ্রেস। মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আগে ব্যাট করতে নেমে মাত্র ১২৬ রানেই অলআউট হয়েছে নোয়াখালী।
চট্টগ্রামের হয়ে বল হাতে দুর্দান্ত ছিলেন শরিফুল ইসলাম। তিনি মাত্র ৯ রান খরচায় ৫ উইকেট শিকার করে নোয়াখালীর ব্যাটিং লাইনআপ গুঁড়িয়ে দেন। তাকে দারুণভাবে সহায়তা করেন শেখ মেহেদী হাসান, যিনি নেন ৩টি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট।
টস হেরে ব্যাট করতে নেমে নোয়াখালী ওপেনিংয়ে কিছুটা ভালো শুরু পায়। সৌম্য সরকার ও হাসান ইসাখিল মিলে যোগ করেন ৩৪ রান। সৌম্য ৮ বলে ১৪ রান করে আউট হন। পাওয়ারপ্লের শেষ বলে বিদায় নেন হাসান ইসাখিল, তার ব্যাট থেকে আসে ২০ বলে ২৫ রান। ৬ ওভারে নোয়াখালীর সংগ্রহ দাঁড়ায় ৪৯/২।
এরপরই ছন্দ হারায় নোয়াখালী। একের পর এক ব্যাটার ফিরে যেতে থাকেন সাজঘরে। জাকের আলী অনিক কিছুটা লড়াইয়ের চেষ্টা করেন। তিনি করেন ২২ বলে ২৩ রান। অধিনায়ক হায়দার আলি ১১ বলে ১২ রান করে থামেন। সোহান (১৫ বলে ১১) ও মুনিম শাহরিয়ার (১ বলে ১) ব্যর্থ হন।
শেষ দিকে সাব্বির হোসেন ১৯ বলে ২২ রান করে লড়াই চালালেও বড় সংগ্রহ গড়া সম্ভব হয়নি। ১৮.৫ ওভারে ১২৬ রানে থেমে যায় নোয়াখালী এক্সপ্রেসের ইনিংস।
চট্টগ্রামের বোলিং আক্রমণে শরিফুলের পাঁচ উইকেটের পাশাপাশি শেখ মেহেদী হাসানের তিনটি ও আমির জামালের একটি উইকেট ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।

