শীতে হাঁটু ব্যথা কমাতে ঘরোয়া কিছু উপায়

0
শীতে হাঁটু ব্যথা কমাতে ঘরোয়া কিছু উপায়

হাঁটু ভালো না থাকলে দৈনন্দিন চলাফেরায় অসুবিধা দেখা দেয়। অল্প হাঁটলেই ব্যথা, বসা থেকে ওঠার কষ্ট বা হাঁটু ভাঁজ-সোজা করার সময় অস্বস্তিকর শব্দ। এগুলো শুধু বয়সজনিত নয়, কম বয়সীদের মধ্যেও ক্রমশ বাড়ছে। পুষ্টির ঘাটতি, দীর্ঘ সময় এক ভঙ্গিতে বসা, ভুল ভঙ্গিতে হাঁটা বা পুরনো আঘাত- সব মিলিয়ে হাঁটুর সমস্যা শুরু হতে পারে।

হাঁটুর কটকট বা ঘষা লাগার মতো শব্দের মূল কারণ হতে পারে হাঁটুর ভিতরের কার্টিলেজ ক্ষয়। কার্টিলেজ হাঁটুর হাড়গুলোর মাঝে নরম কুশনের মতো কাজ করে, যাতে হাঁটাচলায় ঘর্ষণ না হয়। এই স্তর দুর্বল হলে ব্যথা, শব্দ এবং নড়াচড়ায় অসুবিধা দেখা দেয়। সমস্যা অনেক বেড়ে গেলে অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হতে পারে, তবে সব ক্ষেত্রে তা জরুরি নয়।

ঘরোয়া উপায় ও জীবনধারার পরিবর্তন
পুষ্টিকর খাবার ও সঠিক অভ্যাস হাঁটুর ব্যথা কমাতে সহায়ক হতে পারে। ক্যালসিয়ামের ঘাটতি থাকলে হাঁটুর শব্দ হতে পারে; তাই ক্যালসিয়ামসমৃদ্ধ খাবার যেমন দুধ, দই বা পনির খাওয়া উপকারী। হাঁটু ফুলে থাকলে বা প্রদাহ থাকলে আদা ও রসুন ব্যবহার সহায়ক। নিয়মিত রান্নায় আদা ও রসুন ব্যবহার করলে ফোলাভাব কমতে সাহায্য করে।

পায়ের দুর্বলতা বা সিঁড়ি উঠতে কষ্ট হলে মুগ ডাল ও আখরোট ভালো প্রোটিন ও খনিজের উৎস। কার্টিলেজের পুষ্টি বাড়াতে সয়াবিন ও ওটসও উপকারী। পাশাপাশি, প্রতিদিন ১৫-২০ মিনিট পিছনের দিকে হাঁটা হাঁটুর পেশিকে শক্তিশালী করে এবং অস্বস্তিকর শব্দ কমায়।

ঘরোয়া প্রতিকার ও মালিশ
হালকা হাঁটুর ব্যথা কমাতে হলুদ মিশানো গরম দুধ পান করা যেতে পারে। হলুদের প্রাকৃতিক প্রদাহনাশক গুণ ব্যথা ও ফোলাভাব কমাতে সাহায্য করে। চাইলে হলুদ দিয়ে তৈরি ঘরোয়া লেপ হাঁটুর উপর লাগালেও আরাম পাওয়া যায়।

মালিশে রক্তসঞ্চালন বাড়ে: সরিষার তেলে কয়েক কোয়া রসুন ফুটিয়ে সামান্য গরম অবস্থায় হাঁটুর উপর আলতো করে মালিশ করলে ব্যথা ও শক্তভাব কমে। নিয়মিত মালিশ রক্তসঞ্চালন বাড়ায় এবং হাঁটুর জড়তা দূর করে।

সূত্র: আজকাল

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here