উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের প্রভাবশালী বোন কিম ইয়ো জং বলেছেন, দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক উন্নতির কোনো সম্ভাবনা নেই। সীমান্তে ড্রোন উড়ানোর ঘটনা ঘিরে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধির মধ্যে তিনি এ কথা বললেন।
উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে কিম ইয়ো জং দক্ষিণ কোরিয়া সরকারের যোগাযোগ বৃদ্ধির দাবি প্রত্যাখ্যান করেন। তিনি বলেন, দক্ষিণ কোরিয়া উত্তর কোরিয়ার সার্বভৌমত্বে হস্তক্ষেপ করে গুরুতর উসকানি দিয়েছে।
কিম ইয়ো জং জানান, গত সেপ্টেম্বর এবং চলতি মাসে দক্ষিণ কোরিয়া উত্তর কোরিয়ার আকাশসীমায় ড্রোন পাঠিয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনাকে তিনি ‘গভীর উসকানি’ হিসেবে উল্লেখ করেন। তার ভাষায়, দক্ষিণ কোরিয়ার কিছু মানুষ যে ‘সম্পর্ক মেরামতের স্বপ্ন’ দেখছে, তা কখনোই বাস্তবে রূপ নেবে না।
গত শনিবার প্রথমবারের মতো উত্তর কোরিয়া এসব ড্রোন ঘটনার কথা জানায়। তারা এটিকে উসকানিমূলক কাজ বলে বর্ণনা করে এবং সীমান্ত এলাকায় ভূপাতিত ড্রোনের ধ্বংসাবশেষের ছবি প্রকাশ করে।
এ ঘটনার পর দক্ষিণ কোরিয়া দ্রুত তদন্ত শুরু করে। দেশটির সামরিক বাহিনী জানায়, ছবিতে যে ড্রোন দেখা গেছে, সেগুলো তাদের ব্যবহৃত মডেলের নয়। এতে ধারণা করা হচ্ছে, ড্রোনগুলো হয়তো দক্ষিণ কোরিয়ার বেসামরিক নাগরিকদের পক্ষ থেকে উড়ানো হয়ে থাকতে পারে।
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ং এ ঘটনাকে কোরীয় উপদ্বীপের শান্তি ও জাতীয় নিরাপত্তার জন্য ‘গুরুতর অপরাধ’ বলে মন্তব্য করেন।
এর আগে রোববার কিম ইয়ো জং দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে ঘটনার বিস্তারিত ব্যাখ্যা দাবি করেন। একই সঙ্গে তিনি স্বীকার করেন, দক্ষিণ কোরিয়ার সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে ইচ্ছাকৃতভাবে উসকানি দেওয়ার উদ্দেশ্য নাও থাকতে পারে।

