আইসিসিবিতে শুরু হচ্ছে গার্মেন্টস অ্যাকসেসরিজ প্রদর্শনী

0
আইসিসিবিতে শুরু হচ্ছে গার্মেন্টস অ্যাকসেসরিজ প্রদর্শনী

রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) বুধবার (১৪ জানুয়ারি) শুরু হচ্ছে ‘গার্মেন্টস অ্যাকসেসরিজ অ্যান্ড প্যাকেজিং এক্সপো (গ্যাপেক্সপো)-২০২৬’। এ প্রদর্শনীতে ৩৫০টি প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করছে এবং থাকছে এক হাজার ৫০০টি স্টল।

প্রদর্শনীতে ভারত, জাপান, ভিয়েতনাম, চীন, দক্ষিণ কোরিয়া ও জার্মানিসহ ১৮টির বেশি দেশের প্রতিষ্ঠান অংশ নিচ্ছে। গার্মেন্টস অ্যাকসেসরিজ ও প্যাকেজিং খাতের আন্তর্জাতিক পরিচিতি বৃদ্ধি, নতুন ক্রেতা অনুসন্ধান এবং সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ও মেশিনারিজের সঙ্গে দেশীয় শিল্পোদ্যোক্তাদের সংযোগ ঘটাতেই এই আয়োজন।

গ্যাপেক্সপো-২০২৬-এর আয়োজন করছে এএসকে ট্রেড অ্যান্ড এক্সিবিশন প্রা. লিমিটেড এবং বাংলাদেশ গার্মেন্টস অ্যাকসেসরিজ অ্যান্ড প্যাকেজিং ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিজিএপিএমইএ)। আজ রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে বিজিএপিএমইএ সভাপতি মো. শাহরিয়ার জানান, আগামী ১৪ থেকে ১৭ জানুয়ারি পর্যন্ত আইসিসিবিতে গ্যাপেক্সপো-২০২৬-এর ১৫তম আয়োজন অনুষ্ঠিত হবে। একই সময়ে অনুষ্ঠিত হবে ‘গার্মেন্ট টেকনোলজি বাংলাদেশ-২০২৬’।

তিনি বলেন, বিশ্ববাজারে প্যাকেজিং পণ্যের বিশাল চাহিদা থাকলেও বাংলাদেশ সে বাজারে প্রত্যাশিত অংশ নিতে পারছে না। এর প্রধান কারণ হলো সরাসরি রপ্তানিতে কোনো প্রণোদনা না থাকা এবং পর্যাপ্ত নীতিগত সহায়তার অভাব। বাংলাদেশ থেকে সরাসরি প্যাকেজিং পণ্য রপ্তানি করলে কোনো রপ্তানি প্রণোদনা পাওয়া যায় না, অথচ চীন, ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া ও ইন্দোনেশিয়ার মতো দেশগুলো এই খাতে ৪ থেকে ১৭ শতাংশ পর্যন্ত রপ্তানি প্রণোদনা দিয়ে থাকে। তিনি বলেন, গার্মেন্টস অ্যাকসেসরিজ ও প্যাকেজিং খাত কখনোই রপ্তানি প্রণোদনার আওতায় আসেনি, যা এই খাতের জন্য একটি বড় প্রতিবন্ধকতা।

নীতিগত সমস্যার কথা তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, ৩০০ জিএসএমের নিচের কাগজ আমদানিতে উচ্চ শুল্ক ও কর আরোপ করা হয়। অনেক ক্ষেত্রে ৫৮ থেকে ৮৩ শতাংশ পর্যন্ত কর দিতে হয়, যা উৎপাদন ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে দেয়। এটি এনবিআর-সংক্রান্ত একটি বড় নীতিগত সমস্যা।

তিনি বলেন, গার্মেন্টস খাতের জন্য যেসব নীতিগত ও ব্যাংকিং সুবিধা রয়েছে, গার্মেন্টস অ্যাকসেসরিজ ও প্যাকেজিং খাত সেসব সুবিধা থেকে বঞ্চিত। একইভাবে ব্যাংক ফাইন্যান্সিং, কাস্টমস সুবিধা ও বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতিমালাগুলো বাস্তবে এ খাতে কার্যকরভাবে প্রয়োগ করা হয় না। ফলে এই খাতের উদ্যোক্তারা বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here