ট্রাম্পের আগ্রহের মধ্যেই গ্রিনল্যান্ডে ব্রিটিশ সেনা মোতায়েনে আলোচনা

0
ট্রাম্পের আগ্রহের মধ্যেই গ্রিনল্যান্ডে ব্রিটিশ সেনা মোতায়েনে আলোচনা

গ্রিনল্যান্ডে সেনা মোতায়েনের কথা বিবেচনা করছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। ইউরোপীয় মিত্রদের সঙ্গে চলমান আলোচনার প্রেক্ষাপটে এ তথ্য জানিয়েছে একাধিক আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম।

সোমবার যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিপেনডেন্ট-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়, রাশিয়া ও চীনের ক্রমবর্ধমান উপস্থিতির প্রেক্ষাপটে গ্রিনল্যান্ডের ওপর নিয়ন্ত্রণ বাড়ানোর আগ্রহ দেখিয়ে আসছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই পরিস্থিতিতে ডেনমার্কের স্বায়ত্তশাসিত ভূখণ্ডটিতে সেনা মোতায়েনের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী।

ডাউনিং স্ট্রিটের সূত্রের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়, উত্তরের আর্কটিক অঞ্চলে রাশিয়ার আগ্রাসন ঠেকানো এবং ইউরো-অ্যাটলান্টিক নিরাপত্তা জোরদারের বিষয়ে ট্রাম্পের সঙ্গে কিয়ার স্টারমার একমত। ওই অঞ্চলে রাশিয়া ও চীনের সম্ভাব্য হুমকিকে সরকার অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে।

এর আগে শনিবার ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফ জানায়, সম্ভাব্য একটি ন্যাটো মিশনের অংশ হিসেবে গ্রিনল্যান্ডে সামরিক উপস্থিতি জোরদারের পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা চলছে। এ লক্ষ্যে ইউরোপীয় মিত্রদের সঙ্গে ডাউনিং স্ট্রিট নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে।

প্রাথমিক প্রস্তুতির অংশ হিসেবে সম্প্রতি যুক্তরাজ্যের কর্মকর্তারা জার্মানি ও ফ্রান্সসহ কয়েকটি দেশের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। পরিকল্পনাগুলো এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে থাকলেও এতে ব্রিটিশ সেনা, যুদ্ধজাহাজ ও যুদ্ধবিমান মোতায়েনের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

সূত্রগুলোর তথ্য অনুযায়ী, এটি পূর্ণমাত্রার সেনা মোতায়েন হতে পারে। আবার সীমিত সময়ের সামরিক মহড়া, গোয়েন্দা তথ্য বিনিময়, প্রতিরক্ষা সক্ষমতা উন্নয়ন কিংবা যৌথ নিরাপত্তা পরিকল্পনার সমন্বিত উদ্যোগও হতে পারে।

এদিকে, গ্রিনল্যান্ডের রাজনৈতিক দলগুলোর নেতারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার বিরোধিতা পুনর্ব্যক্ত করেছেন। এক যৌথ বক্তব্যে তারা বলেন, ‘আমরা আমেরিকান হতে চাই না, ডেনিশও হতে চাই না। আমরা গ্রিনল্যান্ডের অধিবাসী হিসেবেই থাকতে চাই।’

অন্যদিকে, ট্রাম্প বলেছেন, ‘তারা রাজি থাকুন আর না থাকুক, গ্রিনল্যান্ড নিয়ে কিছু একটা করতেই হবে। অন্যথায় রাশিয়া বা চীন গ্রিনল্যান্ড দখলে নেবে, আর আমরা রাশিয়া বা চীনকে প্রতিবেশী হিসেবে চাই না।’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here