যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় শহর নিউইয়র্ককে শ্রমজীবী মানুষের জন্য আরও সাশ্রয়ী করার ঘোষণা দিয়েছেন সদ্য দায়িত্ব নেওয়া মেয়র জোহরান মামদানি।
গতকাল বৃহস্পতিবার শপথ গ্রহণের পর তিনি এ ঘোষণা দেন। মামদানি বলেন, শহরটিকে আরও সাশ্রয়ী করে তুলতে তিনি একটি কঠোর ও উচ্চাকাঙ্ক্ষী কর্মসূচি বাস্তবায়ন করবেন।
তিনি বলেন, ‘যেসব ধনকুবের ও অভিজাত শ্রেণি মনে করে, গণতন্ত্র কিনে নেওয়া যায়, তাদের কাছে কোনো জবাবদিহি নয়। আমরা জবাবদিহি করব নিউইয়র্কবাসীর কাছে।’
জোহরান আরও বলেন, ‘আমি একজন ডেমোক্র্যাটিক সমাজতান্ত্রিক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছি, সে অনুযায়ীই শাসন কার্যক্রম পরিচালনা করব।’
মামদানির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মার্কিন সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্স ও মার্কিন প্রতিনিধি আলেকজান্দ্রিয়া ওকাসিও কর্টেজও বক্তব্য রাখেন।
স্যান্ডার্স-কে মামদানি তার অনুপ্রেরণা বলে আগেই অভিহিত করেছেন। সেই স্যান্ডার্সও মামদানির এজেন্ডাকে সমর্থন করেছেন।
তিনি বলেন, সাধারণ মানুষের জন্য সাশ্রয়ী বাড়ি নিশ্চিত করা কোনো অস্বাভাবিক কাজ নয়, বরং এটি সঠিক ও ন্যায্য কাজ।
বামপন্থী ডেমোক্র্যাটিক সমাজতান্ত্রিক ধারার সদস্য মামদানি গত নভেম্বরের নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ বিজয় অর্জন করেন। এই জয় চলতি বছরের মধ্যবর্তী নির্বাচনগুলোতে প্রভাব ফেলতে পারে।
ডেমোক্র্যাটদের একটি অংশ মামদানির রাজনৈতিক ধারা গ্রহণ করেছেন। অন্যদিকে, রিপাবলিকানরা তাকে জাতীয় রাজনীতির মঞ্চে নিজেদের প্রতিপক্ষ হিসেবে তুলে ধরছেন।
নির্বাচনে ৩৪ বছর বয়সি এই নেতা জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ে জোরালো প্রচারণা চালান। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের তীব্র সমালোচনা করেন। নিউইয়র্কের ৮০ লাখ বাসিন্দার অনেকের আশা, মামদানি একজন আলোড়ন সৃষ্টিকারী রাজনৈতিক শক্তি হয়ে উঠতে পারেন।

