আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে নির্বাচন-পূর্ব পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের জন্য বিভিন্ন কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। গঠিত কমিটিগুলো হলো—ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিম, নির্বাচন মনিটরিং টিম, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল এবং ভ্রাম্যমাণ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী ইউনিট (মোবাইল টহল ইউনিট)।
ইসির উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেনের স্বাক্ষরে নির্দেশনায় বলা হয়েছে, কমিটিগুলো আইন ও বিধিমালা অনুসরণ করে দায়িত্ব পালন করবে এবং নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্যভাবে আয়োজন নিশ্চিত করবে।
নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে, জেলা ও মেট্রোপলিটন এলাকায় সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসার কমিটিগুলোর সভাপতি হবেন। উপজেলা ও থানা পর্যায়ে সহকারী রিটার্নিং অফিসার সভাপতি দায়িত্ব পালন করবেন।
কমিটির প্রধান দায়িত্বের মধ্যে রয়েছে—নিরপেক্ষতা বজায় রাখা, আচরণবিধি ও আইন প্রয়োগ, ভোটারদের উৎসাহিত করা, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা ও গুরুত্বপূর্ণ ভোটকেন্দ্রে নিরাপত্তা জোরদার করা, ভ্রাম্যমাণ টহল পরিচালনা এবং ভোটারদের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করা।
ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিম আচরণবিধি লঙ্ঘন, নির্বাচনি ব্যয়ের সীমা তদারকি, তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ, মামলা বা অভিযোগ দায়ের এবং দৈনিক প্রতিবেদন কমিশনে পাঠানোর দায়িত্বে থাকবে। একই সঙ্গে প্রার্থী, দল ও এজেন্টদের আচরণবিধি ও তা ভঙ্গের শাস্তি প্রচার করতে হবে।
পুলিশ সুপার বা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে আলোচনা করে জেলা পর্যায়ে বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন ও পর্যাপ্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। এছাড়া অভিযোগের তাৎক্ষণিক তদন্ত, নারী ভোটারসহ সব ভোটারকে নিরাপদ ভোটদানে উৎসাহ এবং অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে পদক্ষেপ নিতে হবে।

