দশম গ্রেড বাস্তবায়নের দাবিতে দুই ঘণ্টা কর্মবিরতি পালন করেছেন শরীয়তপুরের মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টরা। এতে দূর-দূরান্ত থেকে আসা রোগীরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও ওষুধ নেওয়ার ক্ষেত্রে চরম ভোগান্তিতে পড়েন। সেবা নিতে আসা স্থানীয়দের দাবি, সরকারের উচিত দ্রুত দাবি মেনে নেওয়া।
আজ সকাল ৯টা থেকে ১১টা পর্যন্ত স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ সব স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে কর্মরত মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ডিপ্লোমা ফার্মাসিস্টরা কর্মবিরতি পালন করেন। তাদের দাবি, ১১তম গ্রেড থেকে দশম গ্রেডে উন্নীত করা।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, স্বাস্থ্যশিক্ষা অধিদপ্তর ও পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরে কর্মরত এসব টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টরা বলেন, স্বাস্থ্যসেবা একটি টিমওয়ার্ক। চিকিৎসক ও নার্সদের পাশাপাশি রোগ নির্ণয়, ওষুধ ব্যবস্থাপনা, ল্যাব কার্যক্রম, রেডিওলজি, থেরাপি, নমুনা সংগ্রহ, এমআরআই, সিটি স্ক্যান, এক্স-রে—সব গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় তাদের সরাসরি সম্পৃক্ততা রয়েছে। করোনা, ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া—যে কোনো মহামারিতেই এই পেশার ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ।
ডিপ্লোমা টেকনোলজিস্টরা বলেন, বছরের পর বছর অবহেলা ও বৈষম্যের শিকার এই পেশা। ডিপ্লোমা প্রকৌশলী, ডিপ্লোমা নার্স, ডিপ্লোমা কৃষিবিদরা বহু আগেই ১১তম থেকে ১০ম গ্রেডে উন্নীত হয়েছেন। ২০১৮ সালে ডিপ্লোমাধারীদের দ্বিতীয় শ্রেণি ও দশম গ্রেড দেওয়া হলেও মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টদের ক্ষেত্রে সে উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
তারা আরও জানান, ওষুধ প্রস্তুত, সংরক্ষণ, মান নিয়ন্ত্রণ, বিতরণসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ফার্মাসিস্টরা কাজ করেন। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে নানা সমস্যার পরও সেক্টরটি সংস্কারের কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

