হৃদয়ের ৩ রানের আক্ষেপ

0
হৃদয়ের ৩ রানের আক্ষেপ

সেঞ্চুরি থেকে মাত্র তিন রান দূরে দাঁড়িয়ে ছিলেন তাওহিদ হৃদয়। ইনিংসের শেষ বলে জিমি নিশামের ইয়র্কার লেংথ ডেলিভারিতে সোজা বোলারের হাতেই বল তুলে দেন তিনি। রান না আসায় তিন অঙ্ক ছোঁয়া হয়নি। হতাশায় নিজের ওপরই বিরক্তি প্রকাশ করেন রংপুর রাইডার্সের এই ব্যাটার।

রবিবার সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের বিপক্ষে সেঞ্চুরি না পেলেও হৃদয় খেলেছেন বিধ্বংসী এক ইনিংস। ওপেনিংয়ে নেমে ৫৬ বলে ৯৭ রান করেন ২৫ বছর বয়সী এই ব্যাটার। তার ইনিংসে ছিল ৬টি ছক্কা ও ৮টি চার।

হৃদয়ের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ভর করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৭৮ রান তোলে রংপুর রাইডার্স। ফলে রাজশাহীর সামনে দাঁড়ায় কঠিন লক্ষ্য।

টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিলেন হৃদয়। কাইল মেয়ার্সের সঙ্গে ইনিংসের সূচনা করে এসএম মেহেরব হাসানের করা প্রথম ওভারের প্রথম তিন বলেই বাউন্ডারি হাঁকিয়ে নিজের আগ্রাসী মানসিকতার জানান দেন তিনি।

তবে অন্য প্রান্তে সঙ্গের অভাব ছিল স্পষ্ট। মেয়ার্স ৬ বলে ৮, লিটন কুমার দাস ১৪ বলে ১১ এবং ইফতিখার আহমেদ ১৫ বলে মাত্র ৮ রান করে ফিরলে ১৩ ওভার শেষে ৮০ রানেই থমকে যায় রংপুর।

এরপর খুশদিল শাহকে সঙ্গে নিয়ে ইনিংসের গতি বাড়ান হৃদয়। চতুর্থ উইকেটে মাত্র ৫১ বলে ১০৫ রানের জুটি গড়ে দলকে বড় সংগ্রহের পথে নিয়ে যান তারা। ৩৯ বলে ফিফটি পূর্ণ করার পর আরও বিধ্বংসী হয়ে ওঠেন হৃদয়। পরের ১৭ বলেই আসে তার ব্যাট থেকে ৪৭ রান।

শেষ পর্যন্ত ৯৭ রানে অপরাজিত থাকেন হৃদয়। বিপিএলে এটি তার দ্বিতীয়বার, যখন ৯০ ছাড়িয়েও শতরানের আগে ইনিংস শেষ করতে হলো।

এই জুটিতে সবচেয়ে বেশি চাপে পড়েন তরুণ পেসার রিপন মন্ডল। ১৯তম ওভারে হৃদয় ও খুশদিলের ব্যাটে দুটি করে ছক্কা হজম করে ২৮ রান দেন তিনি। অন্যদিকে খুশদিল শাহ ৪টি চার ও ৩টি ছক্কায় ২৯ বলে ৪৪ রানের কার্যকর ইনিংস খেলেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here