সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের আলীবান্দায় ইকো-ট্যুরিজম কেন্দ্র দর্শনার্থীদের জন্য খুলে দেয়া হয়েছে। শনিবার দুপুরে বেষ্টনীর মধ্যে হরিণ ছাড়ার মধ্যে দিয়ে আলীবান্দা ইকো-ট্যুরিজম কেন্দ্রটি পর্যটকদের জন্য খুলে দেয়া হয়।
শরণখোলা রেঞ্জের আলীবান্দায় ইকো-ট্যুরিজম কেন্দ্রে পর্যটকদের সুন্দরবনের সৌন্দর্য দেখার জন্য নির্মাণ করা হয়েছে দৃষ্টিনন্দন ওয়াচ-টাওয়ার, এক কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের কংক্রীটের ফুটট্রেইল। নির্মাণ কাজ শেষ হলেও হরিণের অভাবে এতোদিন ইকো-ট্যুরিজম কেন্দ্রটি পুরোপুরি চালু করা যায়নি।
শুক্রবার দুপুরে আলীবান্দা ইকো-ট্যুরিজম কেন্দ্রের হরিণ রাখার বেষ্টনীতে ৫টি মায়াবী চিত্রল হরিণ ছাড়া হয়েছে। হরিণ ছাড়ার খবরে দর্শনার্থীদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস দেখা দিয়েছে। আলীবান্দায় ইকো-ট্যুরিজম কেন্দ্রটি ওয়ার্ল্ড হ্যারিটেজ সাইডের মধ্যে দশনার্থীদের জন্য জনপ্রতি অতিরিক্ত ৩০০ টাকা হারে রাজস্ব নির্ধারণ করায় পর্যটকরা আলীবান্দায় যেতে নিরুৎসাহিত হচ্ছেন। পর্যটকরা সুন্দরবনের প্রধান ইকো-ট্যুরিজম কেন্দ্র করমজলের মতো ৪০ টাকা হারে রাজস্ব নির্ধারণের জন্য বন বিভাগের প্রতি দাবি জানিয়েছেন।
বাগেরহাটের পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. রেজাউল করিম চৌধুরী জানান, শুক্রবার মায়াবী চিত্রল হরিণ ছাড়ার মধ্যে দিয়ে আলীবান্দা ইকো-ট্যুরিজম কেন্দ্র পর্যটকদের জন্য পুরোপুরি খুলে দেওয়া হয়েছে। রাজস্ব কমানোর জন্য পর্যটকদের দাবির প্রেক্ষিতে বন মন্ত্রণালয়ের সাথে যোগাযোগ করা হবে বলেও জানান ডিএফও।

