মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে প্রতিবেশী দেশগুলোর সাথে জরুরি কূটনৈতিক আলোচনা শুরু করেছেন সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান। আজ বৃহস্পতিবার রিয়াদ থেকে প্রকাশিত পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একাধিক বিবৃতিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
ইরানের অভ্যন্তরে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ এবং তার প্রেক্ষিতে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপের খবরের মাঝে এই কূটনৈতিক তৎপরতাকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রিন্স ফয়সাল ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির সাথে টেলিফোনে কথা বলেছেন। ফোনালাপে তারা অঞ্চলের বর্তমান পরিস্থিতি এবং শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার উপায় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। ইরানের পাশাপাশি ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আল-বুসাইদি এবং কাতারের শীর্ষ কূটনীতিক শেখ মোহাম্মদ বিন আব্দুলরহমান বিন জাসিম আল-থানির সাথেও পৃথকভাবে কথা বলেছেন সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী। সব আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার সম্মিলিত প্রচেষ্টা।
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র যেকোনো সময় হামলা চালাতে পারে বলে খবর ছড়িয়েছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে। বিশেষ করে কাতারের আল-উদেইদ বিমান ঘাঁটি থেকে মার্কিন সামরিক বাহিনীর কিছু সদস্য সরিয়ে নেওয়ার খবরের পর এই আশঙ্কা আরও জোরালো হয়েছে। উল্লেখ্য, এই ঘাঁটিটি মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তম সামরিক স্থাপনা। এদিকে সৌদি সরকারের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র বার্তা সংস্থা এএফপি-কে নিশ্চিত করেছে, রিয়াদ ইতিমধ্যে তেহরানকে আশ্বস্ত করেছে যে ইরান অভিমুখে কোনো হামলার জন্য সৌদি আরবের আকাশসীমা বা ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না।

