সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে পাকিস্তানকে ২৯১ রানের টার্গেট দিল বাংলাদেশ

0
সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে পাকিস্তানকে ২৯১ রানের টার্গেট দিল বাংলাদেশ

সিরিজ নির্ধারণী তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডে ম্যাচে পাকিস্তানকে ২৯১ রানের টার্গেট দিয়েছে বাংলাদেশ।

রবিবার মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে বাংলাদেশকে ব্যাটিংয়ে পাঠান পাকিস্তানের অধিনায়ক শাহীন শাহ আফ্রিদি।

ব্যাটিংয়ে নেমে উদ্বোধনী জুটি তানজিদ হাসান ও সাইফ হাসান দলকে ভালোভাবে এগিয়ে নিয়েছেন। তানজিদের শতরানে ভর করে বাংলাদেশের ইনিংস থামে ৫ উইকেটে ২৯০ রানে।

শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে খেলছিলেন তানজিদ, অন্য প্রান্তে কিছুটা ধীরগতিতে ইনিংস সাজাচ্ছিলেন সাইফ। দু’জনের সমন্বয়ে ১০৬ বলে আসে উদ্বোধনী জুটির শতরান, যা বাংলাদেশকে শক্ত ভিত গড়ে দেয়।

তবে অনেকক্ষণ ক্রিজে থাকলেও পুরোপুরি স্বাচ্ছন্দ্যে ছিলেন না সাইফ। শেষ পর্যন্ত শাহিন শাহ আফ্রিদির নতুন স্পেলের প্রথম বলেই বিপদে পড়েন তিনি। আউট হওয়ার আগে ৫৫ বলে তিনটি চারের সাহায্যে ৩৬ রান করেন সাইফ। তার বিদায়ে ভাঙে ১০৫ রানের উদ্বোধনী জুটি।

ক্রিজে সেট ব্যাটসম্যান তানজিদের সঙ্গে নতুন সঙ্গী ছিলেন নাজমুল শান্ত। তানজিদের সঙ্গে বুঝেশুনে খেলেছেন তিনিও। দুজন মিলে রান নিয়ে গেছেন ১৫০ এর ঘরে। তবে হারিস রউফের বলে এলবিডব্লিউর ফাঁদে পড়েন শান্ত। তাকে ফিরতে হয় ৩৪ বলে ২৭ রানে।

শান্তর পর তানজিদ-লিটন জুটি বেঁধেছিলেন। তানজিদকে যোগ্য সঙ্গ দিচ্ছিলেন লিটন। এরই মধ্যে ওয়ানডে ক্যারিয়ারে প্রথম শতরান স্পর্শ করেন তানজিদ। অবশ্য সেঞ্চুরির আগেই নিজের সর্বোচ্চ ইনিংসকে পেছনে ফেলেছেন তিনি। আগে তার সেরা ছিল ৮৪ রান, আর এবার সেই সীমা ছাড়িয়ে প্রথম শতকের দেখা পেলেন এই বাঁ হাতি ওপেনিং ব্যাটার। ৯৮ বলে তানজিদ পান কাঙ্ক্ষিত সেঞ্চুরির দেখা।

সেঞ্চুরির মাইলফলক স্পর্শ করার পর তিনি আউট হন। তানজিদ খেলেন ১০৭ বলে ১০৭ রানের দৃষ্টিনন্দন ইনিংস, যেখানে ছিল সাতটি ছক্কা ও ছয়টি চার।

তানজিদের বিদায়ের পর শেষদিকে প্রত্যাশিত গতি আনতে পারেননি লিটন ও হৃদয়। ধীর-স্থির ব্যাটিংয়ে তারা দলের রান এগিয়ে নিয়েছেন। তারা ৪৭ বলে পূর্ণ করেন পঞ্চাশ রানের জুটি।

শেষদিকে লিটন মারমুখী ব্যাট চালানোর চেষ্টা করেন। হারিসের বলে বড় শট খেলতে গিয়ে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন এই উইকেটকিপার। তার ব্যাট থেকে আসে ৫১ বলে ৪১ রান।

তার বিদায়ের পর গোল্ডেন ডাকে বিদায় হন রিশাদ হোসেন। তবে আফিফকে নিয়ে রানের গতি সচল রাখেন হৃদয়। তিনি দলের পক্ষে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৪৪ বলে ৪৮ রান করেন। তার সাথে ৫ রান নিয়ে অপরাজিত থেকে ইনিংস শেষ করেন আফিফ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here