রবিবার ভোর ৬টায় সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরের বাঘাবাড়ীতে শীতের তাপমাত্রা ছিল ৯.৬ ডিগ্রি সে: ও তাড়াশে একই সময় শীতের তাপমাত্রা ছিল ১১.০ ডিগ্রি সে:। সে হিসাবে ধরা যায় সিরাজগঞ্জ জেলার ৯ উপজেলার গড় তাপমাত্রা ছিল ১০.৫ ডিগ্রি সে:।
বাঘাবাড়ি ও তাড়াশ আবহাওয়া অফিস সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
বাঘাবাড়ী আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তা মোস্তফা কামাল বলেন, আজ ভোর ৬টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়। এটি মাঝারি ধরণের শৈত্যপ্রবাহ ধরা হচ্ছে।
তাড়াশ আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জাহিদুল ইসলাম বলেন, কুয়াশার সঙ্গে হিমেল হাওয়াও বইছে। যে কারণে শীতের তীব্রতা বেশি। আজ ভোর ৬টায় তাড়াশে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১১.০ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়, যা গতকালের চেয়ে বেশি।
পৌষের এ হাড় কাঁপানো শীতের সঙ্গে ঘন কুয়াশার কারণে সিরাজগঞ্জ জেলার অনেক এলাকায় সরিষা ফুলের পরাগায়ন ব্যাহত হচ্ছে। এ অবস্থা চলতে থাকলে এ বছর সরিষার উৎপাদন হ্রাস পাওয়ার শংকায় কৃষকেরা দুশ্চিন্তায় পড়েছেন।
শাহজাদপুর উপজেলার সোনাতনীর চরের সিরাজুল ইসলাম সিরাজ বলেন, এ বছর ৫০ হাজার টাকা ঋণ নিয়ে ১ বিঘা জমিতে করলা চাষ করেছি। তীব্র শীতে ফলন ভালো না হওয়ায় পুরো টাকাই লোকসান গুনতে হচ্ছে। এখন ঋণ পরিশোধ তো দূরের কথা পরিবার পরিজন চালাতেই দিশেহারা হয়ে পড়েছি।
সিরাজগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আকিকুন নাহার বলেন, প্রচণ্ড শীতে শিশু ও বয়স্ক মানুষ নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া, জ্বরসহ বিভিন্ন ঠাণ্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে। দিন দিন রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। শীত মৌসুমে শিশু ও বৃদ্ধদের বিশেষভাবে সতর্কতার সঙ্গে পরিচর্যার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

