শীতের সময় সর্দি-কাশি বাড়তেই থাকে। এ সময়ে ঘরোয়া যে উপাদানটি সবচেয়ে দ্রুত কাজ করে, তা হলো মধু। প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিক ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ মধু শরীরকে ভেতর থেকে শক্তি জোগায়, আর সর্দি-কাশি কমাতে দ্রুত কাজ করে। চলুন জেনে নেওয়া যাক সর্দি-কাশি রোধে মধুর উপকারিতা
১. গলা ব্যথা কমায়
মধু গলার ভেতরের প্রদাহ কমিয়ে ব্যথা ও জ্বালা প্রশমিত করে। বিশেষ করে রাতে কাশি বেড়ে গেলে এটি আরামদায়ক।
২. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়
মধুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের প্রতিরোধ ব্যবস্থা শক্ত করে, ফলে সর্দি-কাশি হওয়া কমে।
৩. শুকনো কাশি কমায়
মধুর আঠালো গঠন গলা ভেজা রাখতে সাহায্য করে, যা শুকনো কাশির সমস্যা কমিয়ে দেয়।
৪. জীবাণু প্রতিরোধে সহায়ক
মধুর প্রাকৃতিক অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল গুণ শ্বাসতন্ত্রে জমে থাকা জীবাণুর বৃদ্ধি রোধ করে।
৫. শক্তি বাড়ায় ও শরীর উষ্ণ রাখে
এক চামচ মধু শরীরকে চটজলদি এনার্জি দেয় এবং শীতের সময় শরীর উষ্ণ রাখতে সহায়তা করে।
কীভাবে খাবেন
গরম পানি বা লেবুর সঙ্গে এক চামচ মধু মিশিয়ে খেতে পারেন। এ ছাড়া আদা বা তুলসী চায়ের সঙ্গে মধু মিশিয়ে নিলে সর্দি-কাশিতে আরও দ্রুত আরাম মেলে।
তবে এক বছরের কম বয়সী শিশুকে মধু খাওয়ানো উচিত নয়।

