তুরস্কে চারদিনের সফর শেষে ঐক্য ও সম্প্রীতির বার্তা নিয়ে লেবানন পৌঁছেছেন গেছেন খ্রিস্ট ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মগুরু পোপ লিও। রবিবার (৩০ নভেম্বর) বৈরুর রফিক হারিরি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানবন্দরে অবতরণ করেন তিনি।
এসময় বিমানবন্দরে পোপকে স্বাগত জানান লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন, প্রধানমন্ত্রী নওয়াফ সালাম, সংসদের স্পিকার নাবিহ বেরি এবং ম্যারোনাইট প্যাট্রিয়ার্ক কার্ডিনাল বেচারা বুট্রোস আল-রাহি। ধর্মীয় এই নেতাকে স্বাগত জানাতে বৈরুতের পূর্বে বাবদায় বিমানবন্দর থেকে প্রেসিডেন্ট প্রাসাদ পর্যন্ত রাস্তায় জনতার ঢল নামে।
তিনি এমন সময় লেবাননে সফর গেলেন যখন ইসরায়েলের বিমান হামলা ও গাজা সংকটের প্রভাবে উদ্বিগ্ন। লেবাননের তথ্যমন্ত্রী পল মরকোস সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক্স-এ লিখেছেন, গুরুত্বপূর্ণ সময়ে লেবাননে আসায় পোপকে ‘উষ্ণভাবে স্বাগত’ জানাচ্ছে দেশের মানুষ। তিনি আরও বলেন, এই সফর সংকটের সাথে লড়াই করা মানুষের জন্য বিরাট স্বপ্ন হিসেবে কাজ করবে।
লেবাননে তার তিন দিনের সফরের রাষ্ট্রপতি, সংসদ স্পিকার এবং প্রধানমন্ত্রীর সাথে বৈঠক করবেন পোপ। এরপর তিনি নাগরিক সমাজের গোষ্ঠী এবং কূটনীতিকদের সাথে বৈঠক শেষে জাতীয় নেতাদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দিবেন।
এছাড়াও তিনি মার চারবেল মঠের আবাসস্থল আন্নায়া শহরে যাবেন এবং সেন্ট চারবেলের মাজারে প্রার্থনা করবেন।সেখানে হারিসার আওয়ার লেডি অফ লেবাননের মন্দিরে বিশপ, পুরোহিত এবং যাজক কর্মীদের সাথেও দেখা করবেন তারপরে নানসিএচারে ক্যাথলিক পিতৃপুরুষদের সাথে একান্ত বৈঠক করবেন।
পোপ মধ্য বৈরুতের শহীদ স্কয়ারে একটি আন্তঃধর্মীয় এবং বিশ্বজনীন সমাবেশে যোগ দেবেন এবং তারপর বেকারকেতে ম্যারোনাইট পিতৃতান্ত্রিক কমপ্লেক্সে তরুণদের সাথে একটি বৈঠকের মাধ্যমে দিনটি শেষ করবেন।
হিজবুল্লাহ নেতা নায়েম কাসেম আশা প্রকাশ করেছেন, পোপের সফর ইসরায়েলের হামলা বন্ধ করতে সহায়ক হবে। স্থানীয় ধর্মীয় নেতারা, বিশেষ করে দ্রুজ ধর্মগুরু শেখ সামি আবি আল-মুণা, এই সফরকে আশার প্রতীক হিসেবে স্বাগত জানান।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি।

