প্রবাসী মোশারফের মরদেহ দেশে আসার পর সরকার ৩৫ হাজার টাকা দিয়েছিল। তার বেশি কিছু আর পাননি তার স্ত্রী কবরী আক্তার। পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী স্বামীকে হারিয়ে দুই ছেলেকে নিয়ে চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছেন তিনি।
পরিবারের সদস্যরা জানান, গত ৭ মার্চ সৌদি আরবে মিসাইল হামলায় নিহত হন মোশারফ (৩৫)। গত ২০ মার্চ তার মরদেহ দেশে আসে। তার গ্রামের বাড়ি টাঙ্গাইলের সখীপুরের গাজারিয়ায়, বাবার নাম সূর্যত আলী।
কবরী বলেন, ‘যে সংসারে উপার্জনের কোনো লোক নেই সে সংসার কেমন চলে তা সবাই বোঝে না। সন্তান ও পরিবারের মুখে হাসি ফোটাতে গিয়ে অকালে প্রাণ হারিয়েছেন আমার স্বামী। এই ক্ষতিপূরণ কেউ দিতে পারবে না। আমি এখন চিন্তা করছি, দুই ছেলের ভবিষ্যৎ নিয়ে।’
কবরী আক্তার আরও জানান, মোশারফের মরদেহ দেশে আসলে সরকারের পক্ষ থেকে ৩৫ হাজার টাকার একটি চেক দেওয়া হয়েছিল। তারপর আর কোনো অনুদান বা অর্থ সহযোগিতা পাননি।
তিনি বলেন, ‘সৌদি কোম্পানির কাছ থেকে এখনো কোনো সহযোগিতা পাইনি। মারা যাওয়ার দুই দিন আগে আমার স্বামী দেড় লাখ টাকা দেশে পাঠিয়েছিল। সেই টাকাও এখনো পাইনি। আর পাবো কি না তাও জানি না।’

