জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেছেন, প্রায় দেড় দশক দেশে ফ্যাসিবাদের শাসন কায়েম ছিল। মহান জাতীয় সংসদকে রাবার স্ট্যাম্প হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছিল। নির্বাচন কমিশনকে তৎকালীন সময় গত দেড় দশক ক্ষমতা নবায়নের এজেন্ট হিসেবে বিবেচিত হতো।
শনিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর সেগুনবাগিচায় নেত্রকোনা সাংবাদিক ফোরাম-ঢাকা আয়োজিত ইফতার মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন।
ডেপুটি স্পিকার বলেন, বাংলাদেশে বিভিন্ন সময় স্বৈরাচার দেখেছি, ফ্যাসিবাদ দেখেছি। একটা যুগ সন্ধিক্ষণে আমরা উপনীত হয়েছি। গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আমরা একটা ক্রস রোডে দাঁড়িয়ে আছি। মহান জাতীয় সংসদকে যদি সমস্ত রাজনৈতিক দলের রাজনীতি চর্চার কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে গড়ে তুলতে পারি, তাহলে বাংলাদেশে গণতন্ত্র সুপ্রতিষ্ঠিত হবে।
কায়সার কামাল বলেন, ১২ই ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশে একটা গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা কায়েম হয়েছে এবং এই গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থার মধ্যে প্রত্যেকটা রাজনৈতিক দল যদি সংসদকে কেন্দ্র করে তাদের আলোচনা, সমালোচনা সংসদকে কেন্দ্র করে যদি আবর্তিত হয়, তাহলে বাংলাদেশের যে গণতন্ত্র বারবার হোঁচট খাচ্ছে ভবিষ্যতে সেই গণতন্ত্র হোঁচট খাওয়ার আর সম্ভাবনা থাকবে না।
তিনি আরও বলেন, গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা ছাড়া কোনো দেশের উন্নয়ন কখনো হয় না। যখন গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা থাকবে তখন ‘রুল অব ল’ অর্থাৎ আইনের শাসন কায়েম হবে। আইনের শাসন যখন কায়েম হবে তখন মানবাধিকার সুপ্রতিষ্ঠিত হবে। আইনের শাসন, গণতান্ত্রিক বিধি ব্যবস্থা, মানবাধিকার এবং সাংবিধানিক বিধি ব্যবস্থা যে সমাজ তথা রাষ্ট্রে কায়েম হয়েছে সেই সমাজ এবং রাষ্ট্র উন্নতি করেছে।

