শীতে কী করলে কমবে ত্বকের রুক্ষতা

0
শীতে কী করলে কমবে ত্বকের রুক্ষতা

শীত পুরোপুরিভাবে পড়তেই ত্বক একদম রুক্ষ হয়ে গেছে। কারো ত্বক আবার মাছের আঁশের মতো লাগছে দেখতে। প্রতিদিন বডি লোশন, তেল মাখার পরেও হাল ফিরছে না। যতই ক্রিম লাগান না কেন, নিমেষে তা ত্বকে টেনে নিচ্ছে।

এই অবস্থা শুধু আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণে রুক্ষতা নয়, নেপথ্যে থাকতে পারে অন্য কারণ। কিন্তু সেটা যাই হোক না কেন, কিভাবে মুক্তি পাবেন এই রুক্ষ ভাব থেকে, জেনে নিন। 

কেন শীতকালে মাছের আঁশের মতো ত্বক হয় 

কলোরাডোর এক ডার্মাটোলজিস্ট সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামের এক পোস্টে জানান, ত্বক মাছের আঁশের মতো যখন হয় সেটাকে ইকথিওসিস ভালগারিস বলা হয়। এতে রুক্ষ, মাছের আঁশের মতো দেখতে হয়ে যায়। এটি সাধারণত জেনেটিক কারণে হয়। তবে কখনো কখনো অন্যান্য মেডিক্যাল কারণ, যেমন, আন্ডার-অ্যাক্টিভ থাইরয়েড, কিডনির রোগের কারণেও হতে পারে।

কী করলে কমবে ত্বকের এই রুক্ষতা

নিয়মিত ত্বকের যত্ন নেওয়ার পরও যখন শীতকাল এলেই ত্বক এত রুক্ষ হয়ে যায়, ময়েশ্চারাইজার লাগিয়েও কাজ হয় না, তখন কী করবেন জেনে নিন। 

প্রথমত বডি লোশনের পরিবর্তে ময়েশ্চারাইজিং ক্রিম লাগান। এতে রুক্ষতা অনেকটা কমে। ত্বকের আর্দ্র ভাব বজায় রাখে। গোসল করে বের হয়েই ত্বক যখন হালকা ভেজা ভেজা থাকবে, সেই সময়ই এই ক্রিম লাগাবেন। 

রাসায়নিক স্ক্রাব ব্যবহার করুন। কেবল ময়েশ্চারাইজার লাগালেই হবে না, মৃত কোষকে দূর করাও জরুরি। ত্বকে যদি মৃত কোষ জমে থাকে তাহলে ক্রিম বা আর্দ্রতা ত্বকের ভেতরে প্রবেশ করতে পারবে না। তাই রাসায়নিক স্ক্রাব বা এক্সফোলিয়েন্ট দিয়ে গোসলের সময় সপ্তাহে এক থেকে দুই দিন স্ক্রাব করুন।

চেষ্টা করুন এমন স্ক্রাব বা এক্সফোলিয়েন্ট ব্যবহার করতে, যাতে ল্যাকটিক এসিড ও ইউরিয়া আছে। এতে ওই মৃত কোষ দূর হবে, ত্বক নরম হবে। এরপর গোসল করে বের হয়ে ময়েশ্চারাইজার লাগান। 

খার যুক্ত কোনো সাবানের পরিবর্তে নরম কোনো সাবান ব্যবহার করুন, যাতে খার নেই। খার যুক্ত সাবান ব্যবহার করলে ত্বক আরো রুক্ষ হয়ে যাবে, চুলকাবে। সাবানের পরিবর্তে শাওয়ার জেল বা শাওয়ার ওয়েল ব্যবহার করতে পারেন। এতে ত্বক নরম হবে। এছাড়া অতিরিক্ত গরম পানিতে গোসল করা এড়িয়ে চলুন। ভিটামিন এ ও ই সমৃদ্ধ খাবার খান। প্রচুর পরিমাণে পানি খাবেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here